ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ: মাহবুবুল আলম হানিফ ও স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাহবুবুল আলম হানিফ এবং তার স্ত্রী ফৌজিয়া আলমের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক দুই আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ এ আদেশ দেন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, মাহবুবুল আলম হানিফের বিরুদ্ধে ২৭ কোটি ৩৯ লাখ ২৯ হাজার ৩১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সময় ১৮টি ব্যাংক হিসাবে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ৮৬ কোটি ৬৬ লাখ ৬৯ হাজার ৪৯৭ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগেও তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

একইসঙ্গে, মাহবুবুল আলম হানিফ ও তার স্ত্রী ফৌজিয়া আলমের বিরুদ্ধে পারস্পরিক যোগসাজশে ৪ কোটি ৬৯ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের ১৬টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৩৩ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার ৬০৯ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগেও আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই দুই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই তাদের আয়কর নথি জব্দ করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ: মাহবুবুল আলম হানিফ ও স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

আপডেট সময় : ১২:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাহবুবুল আলম হানিফ এবং তার স্ত্রী ফৌজিয়া আলমের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক দুই আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ এ আদেশ দেন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, মাহবুবুল আলম হানিফের বিরুদ্ধে ২৭ কোটি ৩৯ লাখ ২৯ হাজার ৩১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সময় ১৮টি ব্যাংক হিসাবে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ৮৬ কোটি ৬৬ লাখ ৬৯ হাজার ৪৯৭ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগেও তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

একইসঙ্গে, মাহবুবুল আলম হানিফ ও তার স্ত্রী ফৌজিয়া আলমের বিরুদ্ধে পারস্পরিক যোগসাজশে ৪ কোটি ৬৯ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের ১৬টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৩৩ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার ৬০৯ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগেও আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই দুই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই তাদের আয়কর নথি জব্দ করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।