ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

গণপিটুনি কি আইনি বৈধতা পায়? আইনের দৃষ্টিতে এটি যে ধরনের অপরাধ ও সাজা

চুরি বা অন্য কোনো অপরাধের সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি দিয়ে হতাহত করার ঘটনা প্রায়ই সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে। তবে আইনের দৃষ্টিতে এটি একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। আইনজীবীদের মতে, গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় সরাসরি খুনের অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। এই ধরনের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণপিটুনিতে সরাসরি অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পাশাপাশি যারা প্ররোচনা দেয় বা সহায়তা করে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। অতীতে বাংলাদেশে আবরার হত্যা বা শিশু রাজন হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোতে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার নজির রয়েছে।

দেশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভের সমান অধিকার রয়েছে। সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ ব্যতীত কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা বা দেহের ক্ষতি করা যাবে না। এছাড়া ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আদালতের বিচারে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া অসাংবিধানিক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতি ও সন্ত্রাসকে রাজনৈতিক পরিচয়মুক্ত রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

গণপিটুনি কি আইনি বৈধতা পায়? আইনের দৃষ্টিতে এটি যে ধরনের অপরাধ ও সাজা

আপডেট সময় : ০১:৩২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

চুরি বা অন্য কোনো অপরাধের সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি দিয়ে হতাহত করার ঘটনা প্রায়ই সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে। তবে আইনের দৃষ্টিতে এটি একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। আইনজীবীদের মতে, গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় সরাসরি খুনের অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। এই ধরনের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণপিটুনিতে সরাসরি অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পাশাপাশি যারা প্ররোচনা দেয় বা সহায়তা করে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। অতীতে বাংলাদেশে আবরার হত্যা বা শিশু রাজন হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোতে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার নজির রয়েছে।

দেশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভের সমান অধিকার রয়েছে। সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ ব্যতীত কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা বা দেহের ক্ষতি করা যাবে না। এছাড়া ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আদালতের বিচারে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া অসাংবিধানিক।