ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

ভারতে ডিনারে ঝগড়ার জেরে ছেলেকে গুলি করে বাবার আত্মহত্যা

ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের লুধিয়ানায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। রাতের খাবারের টেবিলে কথা কাটাকাটির জেরে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছেন। পরে বিষ পান করে নিজেও আত্মহত্যা করেন তিনি।

লুধিয়ানা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ষাটোর্ধ্ব ওই ব্যক্তির নাম সুরিন্দর সিং ওরফে ফৌজি এবং তার নিহত ছেলের নাম গুরশরন সিং গিনি (৪০)। পুলিশ জানায়, সুরিন্দরের স্ত্রী কয়েক বছর আগে মারা যান এবং তিনি দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার ছেলে গুরশরন এই প্রস্তাবের ঘোর বিরোধী ছিলেন। এ নিয়ে ডিনারের সময় তাদের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময় হয়।

তর্কাতর্কি চরমে পৌঁছালে সুরিন্দর তার ১২ বোর ডাবল ব্যারেল বন্দুক দিয়ে ছেলেকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। প্রথমবার লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে গুরশরন জীবন বাঁচাতে রাস্তায় দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। সুরিন্দর পিছু ধাওয়া করে তাকে রাস্তায় গুলি করেন। এরপর আহত ছেলেকে রাস্তায় ফেলে রেখে বাড়িতে ফিরে নিজেকে তালাবদ্ধ করে ফেলেন এবং বিষাক্ত দ্রব্য পান করেন।

রাস্তায় গুরশরনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে বাড়ির দরজা ভেঙে সুরিন্দরকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। দুজনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, বাবা ও ছেলের মধ্যে প্রায়ই ডিনারের সময় ঝগড়া হতো। ঘটনার সময় দুজনই মদ্যপ ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ

ভারতে ডিনারে ঝগড়ার জেরে ছেলেকে গুলি করে বাবার আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ১২:৩০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের লুধিয়ানায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। রাতের খাবারের টেবিলে কথা কাটাকাটির জেরে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছেন। পরে বিষ পান করে নিজেও আত্মহত্যা করেন তিনি।

লুধিয়ানা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ষাটোর্ধ্ব ওই ব্যক্তির নাম সুরিন্দর সিং ওরফে ফৌজি এবং তার নিহত ছেলের নাম গুরশরন সিং গিনি (৪০)। পুলিশ জানায়, সুরিন্দরের স্ত্রী কয়েক বছর আগে মারা যান এবং তিনি দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার ছেলে গুরশরন এই প্রস্তাবের ঘোর বিরোধী ছিলেন। এ নিয়ে ডিনারের সময় তাদের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময় হয়।

তর্কাতর্কি চরমে পৌঁছালে সুরিন্দর তার ১২ বোর ডাবল ব্যারেল বন্দুক দিয়ে ছেলেকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। প্রথমবার লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে গুরশরন জীবন বাঁচাতে রাস্তায় দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। সুরিন্দর পিছু ধাওয়া করে তাকে রাস্তায় গুলি করেন। এরপর আহত ছেলেকে রাস্তায় ফেলে রেখে বাড়িতে ফিরে নিজেকে তালাবদ্ধ করে ফেলেন এবং বিষাক্ত দ্রব্য পান করেন।

রাস্তায় গুরশরনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে বাড়ির দরজা ভেঙে সুরিন্দরকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। দুজনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, বাবা ও ছেলের মধ্যে প্রায়ই ডিনারের সময় ঝগড়া হতো। ঘটনার সময় দুজনই মদ্যপ ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।