দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা পরিচালন ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে একটি দক্ষ, সমন্বিত ও আধুনিক লজিস্টিকস ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ এবং অবকাঠামো বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বন্দর ব্যবস্থাপনার ধীরগতি, সমন্বয়হীনতা, উচ্চ পরিবহন ব্যয় এবং দুর্বল অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, লজিস্টিক খাতের অবকাঠামোগত ঘাটতি এবং প্রতিষ্ঠানগত সমন্বয়হীনতা রপ্তানি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। বন্দরগুলোতে পণ্য খালাসে বিলম্ব, সড়ক ও রেলপথে ধীরগতির পরিবহন এবং আধুনিক কোল্ড-চেইন সুবিধার অভাবের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যয়বহুল ও অদক্ষ হয়ে পড়েছে।
তারা আরও বলেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য বন্দরগুলোতে পেপারলেস ও অটোমেটেড ব্যবস্থা চালু করা, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক কোল্ড-চেইন লজিস্টিকসে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা অপরিহার্য।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সমন্বিত লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে আছে, যা ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় বাড়িয়ে তুলছে। এই খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের লজিস্টিকস ব্যয় ২৫ শতাংশ কমানো গেলে রপ্তানি ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। পণ্য পরিবহন ব্যয় ১ শতাংশ কমানো গেলে রপ্তানি সাত দশমিক চার শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুর্বল লজিস্টিকস কাঠামো এবং উচ্চ পরিচালন ব্যয় দেশের বাণিজ্য সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে বড় বাধা সৃষ্টি করছে।
রিপোর্টারের নাম 

























