ঢাকা ০৬:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

ফেসবুকে পার্সিয়ান বিড়াল দত্তকের নামে প্রতারণা: তদন্তের নির্দেশ আদালতের

ফেসবুকে ‘ইসলামে বিড়াল কেনা-বেচা হারাম’ বা ‘বিদেশে চলে যাচ্ছি’—এমন কথা বলে পার্সিয়ান বিড়াল দত্তকের নামে প্রতারণা করার অভিযোগের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদ আগামী ১৯ মে-এর মধ্যে অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু প্রতারক চক্র প্রাণীপ্রেমীদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে বিনামূল্যে বিড়াল দত্তকের কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নিয়াজ মাহমুদ এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, পার্সিয়ান বিড়াল দত্তকের কথা বলে ধাপে ধাপে তার কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়েছে।

নিয়াজ স্থানীয় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর তিনি গত ১৮ জানুয়ারি ঢাকার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রতারণা বন্ধ এবং জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। আদালত বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থাকে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার সাক্ষীরাও একই ধরনের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। আদালতের নির্দেশনার পর মামলার এক সাক্ষীকে মামলা তুলে নেওয়া ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রিয়াল মাদ্রিদে সতীর্থদের হাতাহাতির ঘটনা: চুয়ামেনি ও ভালভার্দের ১০ লাখ ইউরো জরিমানা, এল ক্লাসিকো থেকে ছিটকে গেলেন ভালভার্দে

ফেসবুকে পার্সিয়ান বিড়াল দত্তকের নামে প্রতারণা: তদন্তের নির্দেশ আদালতের

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ফেসবুকে ‘ইসলামে বিড়াল কেনা-বেচা হারাম’ বা ‘বিদেশে চলে যাচ্ছি’—এমন কথা বলে পার্সিয়ান বিড়াল দত্তকের নামে প্রতারণা করার অভিযোগের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদ আগামী ১৯ মে-এর মধ্যে অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু প্রতারক চক্র প্রাণীপ্রেমীদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে বিনামূল্যে বিড়াল দত্তকের কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নিয়াজ মাহমুদ এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, পার্সিয়ান বিড়াল দত্তকের কথা বলে ধাপে ধাপে তার কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়েছে।

নিয়াজ স্থানীয় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর তিনি গত ১৮ জানুয়ারি ঢাকার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রতারণা বন্ধ এবং জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। আদালত বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থাকে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার সাক্ষীরাও একই ধরনের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। আদালতের নির্দেশনার পর মামলার এক সাক্ষীকে মামলা তুলে নেওয়া ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।