ঢাকা ১০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৬-৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, জিডিপিতে পর্যটন খাতের বর্তমান অবদানকে ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬ এর অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জেলা প্রশাসকরা মাঠ পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ৩ শতাংশ। এটি বাড়ানোর জন্য সারা বাংলাদেশে ১ হাজার ৭৪২ টি পর্যটন স্পটকে উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের প্রত্যেকটি জেলায় পর্যটন স্পট রয়েছে এবং এগুলোর উন্নয়নে একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে। তিনি মানিকগঞ্জে অবস্থিত বালিয়াটি জমিদার বাড়ি এবং তেওতা জমিদার বাড়িকে পর্যটক আকর্ষণে উন্নয়নের জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, জেলা প্রশাসকরা নিজ নিজ জেলায় পরিবর্তনের অগ্রদূত হতে পারেন। একটি নতুন পর্যটন স্পট, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশ, এবং সৃজনশীল উদ্যোগ একটি জেলার অর্থনীতিকে বদলে দিতে পারে। তিনি বিশ্বাস করেন যে, জেলা প্রশাসকদের হাত ধরেই বাংলাদেশকে বিশ্বের পর্যটন মানচিত্রে উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরার যাত্রা শুরু হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির সভাপতিত্বে এই অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এছাড়াও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় ব্রাজিলের জয় উদ্‌যাপনে বিশৃঙ্খলা, বাধা দেওয়ায় পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত

জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৬-৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য

আপডেট সময় : ০৬:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, জিডিপিতে পর্যটন খাতের বর্তমান অবদানকে ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬ এর অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জেলা প্রশাসকরা মাঠ পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ৩ শতাংশ। এটি বাড়ানোর জন্য সারা বাংলাদেশে ১ হাজার ৭৪২ টি পর্যটন স্পটকে উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের প্রত্যেকটি জেলায় পর্যটন স্পট রয়েছে এবং এগুলোর উন্নয়নে একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে। তিনি মানিকগঞ্জে অবস্থিত বালিয়াটি জমিদার বাড়ি এবং তেওতা জমিদার বাড়িকে পর্যটক আকর্ষণে উন্নয়নের জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, জেলা প্রশাসকরা নিজ নিজ জেলায় পরিবর্তনের অগ্রদূত হতে পারেন। একটি নতুন পর্যটন স্পট, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশ, এবং সৃজনশীল উদ্যোগ একটি জেলার অর্থনীতিকে বদলে দিতে পারে। তিনি বিশ্বাস করেন যে, জেলা প্রশাসকদের হাত ধরেই বাংলাদেশকে বিশ্বের পর্যটন মানচিত্রে উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরার যাত্রা শুরু হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির সভাপতিত্বে এই অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এছাড়াও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।