ঢাকা ১০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: দোষীদের শাস্তির দাবিতে চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনা একটি বর্বরোচিত অধ্যায় এবং কোনো স্বৈরাচার যেন ভবিষ্যতে এমন নৃশংসতা না ঘটাতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

চরমোনাই পীর আরও বলেন, সেদিন শাপলা চত্বরে যারা অবস্থান করছিলেন, তাদের অধিকাংশই ছিলেন অল্পবয়সী ছাত্র এবং নিরপরাধ। তাদের ওপর পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর হামলাকে তিনি অভিশপ্ত ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকার ইসলাম ও ইসলামপন্থীদের প্রতি বিদ্বেষ থেকে এই অভিযান পরিচালনা করেছিল।

তিনি বলেন, এই ঘটনার ১১ বছর পর আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। একইসঙ্গে, ২০১৩ সালের ৫ মে-পরবর্তী রাজনৈতিক সংগঠন, বুদ্ধিজীবী ও গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও নতুন করে বিচার-বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

চরমোনাই পীর শাপলা চত্বরে নিহত ও আহতদের জাতীয় বীরের স্বীকৃতি এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান। তিনি শাপলা কেন্দ্রিক মামলাগুলো প্রত্যাহারেরও আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় ব্রাজিলের জয় উদ্‌যাপনে বিশৃঙ্খলা, বাধা দেওয়ায় পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: দোষীদের শাস্তির দাবিতে চরমোনাই পীর

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনা একটি বর্বরোচিত অধ্যায় এবং কোনো স্বৈরাচার যেন ভবিষ্যতে এমন নৃশংসতা না ঘটাতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

চরমোনাই পীর আরও বলেন, সেদিন শাপলা চত্বরে যারা অবস্থান করছিলেন, তাদের অধিকাংশই ছিলেন অল্পবয়সী ছাত্র এবং নিরপরাধ। তাদের ওপর পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর হামলাকে তিনি অভিশপ্ত ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকার ইসলাম ও ইসলামপন্থীদের প্রতি বিদ্বেষ থেকে এই অভিযান পরিচালনা করেছিল।

তিনি বলেন, এই ঘটনার ১১ বছর পর আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। একইসঙ্গে, ২০১৩ সালের ৫ মে-পরবর্তী রাজনৈতিক সংগঠন, বুদ্ধিজীবী ও গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও নতুন করে বিচার-বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

চরমোনাই পীর শাপলা চত্বরে নিহত ও আহতদের জাতীয় বীরের স্বীকৃতি এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান। তিনি শাপলা কেন্দ্রিক মামলাগুলো প্রত্যাহারেরও আহ্বান জানান।