ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

সাতক্ষীরায় প্রেমিকার সঙ্গে তর্কের পর কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় সাবেক প্রেমিকার সঙ্গে মোবাইল ফোনে বাগবিতণ্ডার পর সৈকত মুখার্জী (১৮) নামে এক কলেজছাত্রের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার সকালে নিজ শয়নকক্ষ থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। নিহত সৈকত উপজেলার বংশীপুর গ্রামের অদিত্য মুখার্জীর ছেলে এবং শ্যামনগর সরকারি মহসীন কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সৈকতের বিয়ে পারিবারিকভাবে ঠিক হয়েছিল। শুক্রবার রাতে তার সাবেক প্রেমিকা ও সহপাঠী সীমা বৈরাগীর সঙ্গে ফোনে দীর্ঘক্ষণ কথা কাটাকাটি হয়। পরদিন সকালে সীমার অনুরোধেই পরিবারের সদস্যরা সৈকতের ঘরে গিয়ে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

নিহতের বাবার অভিযোগ, সীমার সঙ্গে সৈকতের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সীমার অন্যত্র বিয়ে হয়ে গেলেও সৈকতের বিয়ে ঠিক হওয়ার বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারেননি। ফোনে মানসিক চাপ সৃষ্টির কারণেই সৈকত এই পথ বেছে নিয়েছে বলে দাবি পরিবারের। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তেল বিতরণে অনিয়ম: নীলফামারীতে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

সাতক্ষীরায় প্রেমিকার সঙ্গে তর্কের পর কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় সাবেক প্রেমিকার সঙ্গে মোবাইল ফোনে বাগবিতণ্ডার পর সৈকত মুখার্জী (১৮) নামে এক কলেজছাত্রের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার সকালে নিজ শয়নকক্ষ থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। নিহত সৈকত উপজেলার বংশীপুর গ্রামের অদিত্য মুখার্জীর ছেলে এবং শ্যামনগর সরকারি মহসীন কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সৈকতের বিয়ে পারিবারিকভাবে ঠিক হয়েছিল। শুক্রবার রাতে তার সাবেক প্রেমিকা ও সহপাঠী সীমা বৈরাগীর সঙ্গে ফোনে দীর্ঘক্ষণ কথা কাটাকাটি হয়। পরদিন সকালে সীমার অনুরোধেই পরিবারের সদস্যরা সৈকতের ঘরে গিয়ে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

নিহতের বাবার অভিযোগ, সীমার সঙ্গে সৈকতের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সীমার অন্যত্র বিয়ে হয়ে গেলেও সৈকতের বিয়ে ঠিক হওয়ার বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারেননি। ফোনে মানসিক চাপ সৃষ্টির কারণেই সৈকত এই পথ বেছে নিয়েছে বলে দাবি পরিবারের। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।