ঢাকা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

মাতারবাড়ী পোর্ট এক্সেস রোড: পরিবেশবান্ধব নির্মাণে অনন্য নজির স্থাপন করছে ম্যাক্স

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্র বন্দর, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলকে কেন্দ্র করে দেশের নতুন এক অর্থনৈতিক হাব গড়ে উঠছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে নির্মিত হচ্ছে ‘মাতারবাড়ী পোর্ট এক্সেস রোড’। জাপানি প্রতিষ্ঠান টোকিউ কন্সট্র্যাকশন এবং বাংলাদেশের ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড যৌথভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক প্রকল্পের কাজ পরিচালনা করছে।

এই প্রকল্পটি কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং পরিবেশ সুরক্ষায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে। ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার এই নির্মাণ কাজে পুরোপুরি সৌরশক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আবাসন, স্ট্যাকইয়ার্ড এবং নির্মাণ সাইটের দৈনন্দিন প্রায় ৪১৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে ৪২ একর জমিতে বিশাল সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রথাগত লাল ইটের পরিবর্তে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব অটোক্লেভড এয়ারেটেড কংক্রিট (এএসি) ব্লক ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ তদারকি ও পণ্য পরিবহনে যুক্ত করা হচ্ছে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক যানবাহন। এই সড়কটি চালু হলে বন্দরের পণ্য পরিবহন সহজ হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি ও মৎস্য সম্পদের বাজারজাতকরণে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

মাদক কারবারির জার্সিতে এআই-এর কারসাজি: বিপাকে বরিশাল পুলিশ

মাতারবাড়ী পোর্ট এক্সেস রোড: পরিবেশবান্ধব নির্মাণে অনন্য নজির স্থাপন করছে ম্যাক্স

আপডেট সময় : ১০:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্র বন্দর, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলকে কেন্দ্র করে দেশের নতুন এক অর্থনৈতিক হাব গড়ে উঠছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে নির্মিত হচ্ছে ‘মাতারবাড়ী পোর্ট এক্সেস রোড’। জাপানি প্রতিষ্ঠান টোকিউ কন্সট্র্যাকশন এবং বাংলাদেশের ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড যৌথভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক প্রকল্পের কাজ পরিচালনা করছে।

এই প্রকল্পটি কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং পরিবেশ সুরক্ষায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে। ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার এই নির্মাণ কাজে পুরোপুরি সৌরশক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আবাসন, স্ট্যাকইয়ার্ড এবং নির্মাণ সাইটের দৈনন্দিন প্রায় ৪১৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে ৪২ একর জমিতে বিশাল সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রথাগত লাল ইটের পরিবর্তে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব অটোক্লেভড এয়ারেটেড কংক্রিট (এএসি) ব্লক ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ তদারকি ও পণ্য পরিবহনে যুক্ত করা হচ্ছে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক যানবাহন। এই সড়কটি চালু হলে বন্দরের পণ্য পরিবহন সহজ হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি ও মৎস্য সম্পদের বাজারজাতকরণে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।