ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি বন্ধ ও মানবাধিকার রক্ষার আহ্বান নাগরিক সমাজের

মানবাধিকারকে একটি সার্বজনীন অধিকার হিসেবে উল্লেখ করে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও মানবাধিকার কর্মীরা বলেছেন, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারীদেরও এই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের সমালোচনা করার কারণে কাউকে গ্রেপ্তার বা জামিন না দিয়ে হয়রানি করার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জাতীয় নাগরিক পার্টির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি আয়োজিত এক জাতীয় কনভেনশনে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের একটি সেশনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে গণমাধ্যমের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের যে ধারা শুরু হয়েছে, তা উদ্বেগের। মূলধারার গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাওয়ায় তারা বিকল্প মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছে। যথাযথ আইনি কাঠামোর অভাবে মানবাধিকার চর্চা ব্যাহত হচ্ছে উল্লেখ করে তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তেল বিতরণে অনিয়ম: নীলফামারীতে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি বন্ধ ও মানবাধিকার রক্ষার আহ্বান নাগরিক সমাজের

আপডেট সময় : ১০:২২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

মানবাধিকারকে একটি সার্বজনীন অধিকার হিসেবে উল্লেখ করে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও মানবাধিকার কর্মীরা বলেছেন, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারীদেরও এই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের সমালোচনা করার কারণে কাউকে গ্রেপ্তার বা জামিন না দিয়ে হয়রানি করার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জাতীয় নাগরিক পার্টির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি আয়োজিত এক জাতীয় কনভেনশনে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের একটি সেশনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে গণমাধ্যমের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের যে ধারা শুরু হয়েছে, তা উদ্বেগের। মূলধারার গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাওয়ায় তারা বিকল্প মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছে। যথাযথ আইনি কাঠামোর অভাবে মানবাধিকার চর্চা ব্যাহত হচ্ছে উল্লেখ করে তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।