অভাবের সংসারে হাল ধরতে এক সময় সামান্য বেতনে এনজিওতে কাজ করতেন সুমি খাতুন। তবে করোনা মহামারির সময় কর্মহীন হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তিনি। সেই কঠিন সময়ে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে মাত্র ১০টি রিং এবং ৩ কেজি কেঁচো নিয়ে শুরু করেন ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন। শুরুতে নানা চড়াই-উতরাই এবং প্রথম ছয় মাস কোনো বিক্রি না থাকলেও দমে যাননি সুমি। অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রমে আজ তিনি একজন সফল নারী উদ্যোক্তা।
বর্তমানে সুমির খামারে ১২টি উৎপাদন চেম্বার রয়েছে। সারের পাশাপাশি তিনি একটি পুষ্টি বাগান ও আনারস বাগানও গড়ে তুলেছেন। শুধু ব্যবসায়িক সাফল্যই নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেও সুমি বেশ সচেতন। তিনি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ইয়েস গ্রুপের সদস্য হিসেবে সামাজিক আন্দোলনে সক্রিয়। সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী থাকলেও তার এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন এখনো অমলিন। সুমির এই সংগ্রাম এখন অনেক বেকার যুবকের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
রিপোর্টারের নাম 

























