ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের জন্য ৬টি নতুন স্থলপথ খুলে দিল পাকিস্তান: কমবে পরিবহন খরচ ও সময়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে সৃষ্ট বাণিজ্যিক সংকট মোকাবিলায় ইরানের জন্য নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ছয়টি স্থল ট্রানজিট রুট খুলে দিয়েছে পাকিস্তান। এর ফলে হাজার হাজার আটকে থাকা কন্টেইনার এখন নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছানোর সুযোগ পাবে। পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘ট্রানজিট অফ গুডস থ্রু টেরিটরি অফ পাকিস্তান অর্ডার ২০২৬’ জারির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।

এই নতুন ব্যবস্থার ফলে তৃতীয় কোনো দেশে উৎপাদিত পণ্য পাকিস্তানের সড়কপথ ব্যবহার করে ইরানে পৌঁছাতে পারবে। বর্তমানে করাচি বন্দরে ইরানের উদ্দেশ্যে আসা প্রায় ৩ হাজার কন্টেইনার আটকা পড়ে আছে। সমুদ্রপথে বীমা খরচ বৃদ্ধি ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে জাহাজ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় এই বিকল্প পথটি বেছে নেওয়া হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির ইসলামাবাদ সফরের সময় এই ঘোষণাটি এল।

ঘোষিত রুটগুলো করাচি, পোর্ট কাসিম ও গোয়াদর বন্দরকে ইরানের সীমান্ত পারাপার গাব্দ ও তাফতানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করবে। বিশেষ করে গোয়াদর-গাব্দ করিডোরটি ব্যবহারের মাধ্যমে ইরান সীমান্তে পৌঁছাতে আগের তুলনায় অনেক কম সময় লাগবে। এতে পরিবহন খরচ প্রায় ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এই সুবিধার আওতায় ভারত থেকে আসা কোনো পণ্য পরিবহনের সুযোগ রাখা হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদ অধিবেশনে হাদি হত্যার বিচার চাইলেন বিরোধীদলীয় নেতা

ইরানের জন্য ৬টি নতুন স্থলপথ খুলে দিল পাকিস্তান: কমবে পরিবহন খরচ ও সময়

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে সৃষ্ট বাণিজ্যিক সংকট মোকাবিলায় ইরানের জন্য নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ছয়টি স্থল ট্রানজিট রুট খুলে দিয়েছে পাকিস্তান। এর ফলে হাজার হাজার আটকে থাকা কন্টেইনার এখন নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছানোর সুযোগ পাবে। পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘ট্রানজিট অফ গুডস থ্রু টেরিটরি অফ পাকিস্তান অর্ডার ২০২৬’ জারির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।

এই নতুন ব্যবস্থার ফলে তৃতীয় কোনো দেশে উৎপাদিত পণ্য পাকিস্তানের সড়কপথ ব্যবহার করে ইরানে পৌঁছাতে পারবে। বর্তমানে করাচি বন্দরে ইরানের উদ্দেশ্যে আসা প্রায় ৩ হাজার কন্টেইনার আটকা পড়ে আছে। সমুদ্রপথে বীমা খরচ বৃদ্ধি ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে জাহাজ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় এই বিকল্প পথটি বেছে নেওয়া হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির ইসলামাবাদ সফরের সময় এই ঘোষণাটি এল।

ঘোষিত রুটগুলো করাচি, পোর্ট কাসিম ও গোয়াদর বন্দরকে ইরানের সীমান্ত পারাপার গাব্দ ও তাফতানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করবে। বিশেষ করে গোয়াদর-গাব্দ করিডোরটি ব্যবহারের মাধ্যমে ইরান সীমান্তে পৌঁছাতে আগের তুলনায় অনেক কম সময় লাগবে। এতে পরিবহন খরচ প্রায় ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এই সুবিধার আওতায় ভারত থেকে আসা কোনো পণ্য পরিবহনের সুযোগ রাখা হয়নি।