ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মতলব উত্তরে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: ৪৪৫ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কবলে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসানের মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিসের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে উপজেলার অন্তত ৪৪৫ হেক্টর জমির ফসল সরাসরি আক্রান্ত হয়েছে। এতে বোরো ধান, ভুট্টা, পাট এবং তিলসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রোববার রাতের আকস্মিক এই ঝড় ও প্রবল শিলাবৃষ্টির পর সোমবার মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহ চিত্র ফুটে ওঠে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত জমির মধ্যে ৩২০ হেক্টর বোরো ধান, ৫০ হেক্টর ভুট্টা এবং ২০ হেক্টর পাটের জমি রয়েছে। অনেক কৃষক ধান কেটে জমিতে রেখেছিলেন, যা বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, ঝড়ে শুধু ফসল নয়, উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা এবং বিদ্যুতের খুঁটি। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। কৃষি উদ্যোক্তা ও সাধারণ চাষিরা তাদের বিনিয়োগ নিয়ে এখন চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগ বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত তালিকা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী দুই বছর কঠিন সময়: কঠোর সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত অর্থমন্ত্রীর

মতলব উত্তরে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: ৪৪৫ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় : ১০:১৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কবলে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসানের মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিসের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে উপজেলার অন্তত ৪৪৫ হেক্টর জমির ফসল সরাসরি আক্রান্ত হয়েছে। এতে বোরো ধান, ভুট্টা, পাট এবং তিলসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রোববার রাতের আকস্মিক এই ঝড় ও প্রবল শিলাবৃষ্টির পর সোমবার মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহ চিত্র ফুটে ওঠে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত জমির মধ্যে ৩২০ হেক্টর বোরো ধান, ৫০ হেক্টর ভুট্টা এবং ২০ হেক্টর পাটের জমি রয়েছে। অনেক কৃষক ধান কেটে জমিতে রেখেছিলেন, যা বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, ঝড়ে শুধু ফসল নয়, উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা এবং বিদ্যুতের খুঁটি। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। কৃষি উদ্যোক্তা ও সাধারণ চাষিরা তাদের বিনিয়োগ নিয়ে এখন চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগ বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত তালিকা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।