ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

শ্রম অধিকার রক্ষায় ১৪ দফা সুপারিশ: সরকার ও মালিকপক্ষের প্রতি মানবাধিকার সংগঠনের আহ্বান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দেশের শিল্প খাতের উন্নয়ন এবং শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার ও মালিকপক্ষের প্রতি ১৪ দফা সুপারিশ পেশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সংগঠনটি এই সুপারিশগুলো তুলে ধরে। তাদের মতে, শ্রমিকের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

সরকারের প্রতি এইচআরএসএস-এর ৭টি সুপারিশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—শ্রম আইনের কঠোর বাস্তবায়ন, ন্যায্য মজুরি নির্ধারণ, শ্রম আদালতের সংস্কার এবং গৃহকর্মী ও নারী শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এছাড়া প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনটি মনে করে, শ্রম পরিদর্শনে কঠোরতা আনলে কর্মপরিবেশের উন্নতি ঘটবে।

অন্যদিকে, শিল্প মালিকদের উদ্দেশে দেওয়া ৭টি সুপারিশে শ্রমিকদের ‘ব্যয়’ হিসেবে না দেখে ‘সম্পদ’ হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। সময়মতো বেতন-বোনাস প্রদান, নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি এবং ট্রেড ইউনিয়নের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার বিষয়টিও সেখানে গুরুত্ব পায়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, সংঘাত নয় বরং আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোহামেডানকে হারিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষেই রইল বসুন্ধরা কিংস

শ্রম অধিকার রক্ষায় ১৪ দফা সুপারিশ: সরকার ও মালিকপক্ষের প্রতি মানবাধিকার সংগঠনের আহ্বান

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

দেশের শিল্প খাতের উন্নয়ন এবং শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার ও মালিকপক্ষের প্রতি ১৪ দফা সুপারিশ পেশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সংগঠনটি এই সুপারিশগুলো তুলে ধরে। তাদের মতে, শ্রমিকের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

সরকারের প্রতি এইচআরএসএস-এর ৭টি সুপারিশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—শ্রম আইনের কঠোর বাস্তবায়ন, ন্যায্য মজুরি নির্ধারণ, শ্রম আদালতের সংস্কার এবং গৃহকর্মী ও নারী শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এছাড়া প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনটি মনে করে, শ্রম পরিদর্শনে কঠোরতা আনলে কর্মপরিবেশের উন্নতি ঘটবে।

অন্যদিকে, শিল্প মালিকদের উদ্দেশে দেওয়া ৭টি সুপারিশে শ্রমিকদের ‘ব্যয়’ হিসেবে না দেখে ‘সম্পদ’ হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। সময়মতো বেতন-বোনাস প্রদান, নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি এবং ট্রেড ইউনিয়নের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার বিষয়টিও সেখানে গুরুত্ব পায়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, সংঘাত নয় বরং আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব।