পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-কে ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে অবনমন করে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য টানা দুই বছর কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা না করায় ব্যাংকটির বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গত ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ না দেওয়ার (নো ডিভিডেন্ড) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে ২০২৪ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরেও ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ প্রদান করেনি। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, পর পর দুই বছর লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়। এই অবনমনের ফলে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা এখন থেকে কোনো ধরনের মার্জিন লোন সুবিধা পাবেন না। বিএসইসির মার্জিন লোন বিধিমালা-২০২৫ অনুসরণ করে ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এক সময় বিশ্বসেরা এক হাজার ব্যাংকের তালিকায় স্থান পাওয়া এই ব্যাংকটি বিগত সরকারের আমলে ব্যাপক লুটপাটের শিকার হয়, যার ফলে বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি। তবে বর্তমানে ব্যাংকটি সেই সংকট কাটিয়ে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। ২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৮৫ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ৬৮ পয়সা। এছাড়া শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ৫২ পয়সায়।
এদিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবনমনের খবরে বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্যাংকটির শেয়ার দরে বড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। দিনের শুরুতে শেয়ারের দাম ৩৪ টাকা ৭০ পয়সা থাকলেও দিনশেষে তা ৪ শতাংশের বেশি কমে ৩৩ টাকা ৩০ পয়সায় নেমে আসে।
রিপোর্টারের নাম 





















