ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

আগামী দুই বছর কঠিন সময়: কঠোর সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত অর্থমন্ত্রীর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আগামী দুই বছর অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি জানান, অর্থনীতিকে সচল করতে সরকারকে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে যা সাময়িকভাবে জনপ্রিয় না হলেও দীর্ঘমেয়াদে দেশের স্বার্থে প্রয়োজন। এ সময় তিনি দেশের অর্থনীতিকে সঠিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে বিরোধী দলসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

অর্থমন্ত্রী বর্তমান অর্থনীতির নাজুক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে খেলাপি ঋণের হার ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে, যা অর্থনীতির গতি স্থবির করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। ২০০৫ সালে এই হার ছিল ১৩ শতাংশ। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের আর্থিক সক্ষমতা ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। বর্তমান নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সততা ও সঠিক ভিশন নিয়ে কাজ করলে এই সংকটময় পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

ঋণ পুনঃতফসিলিকরণ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি ব্যাংকিং খাতের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং বিশ্বজুড়েই এর প্রচলন রয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়িক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিভিন্ন সময় এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে হয়। তবে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে রাজনৈতিক ঐকমত্য ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোহামেডানকে হারিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষেই রইল বসুন্ধরা কিংস

আগামী দুই বছর কঠিন সময়: কঠোর সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত অর্থমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আগামী দুই বছর অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি জানান, অর্থনীতিকে সচল করতে সরকারকে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে যা সাময়িকভাবে জনপ্রিয় না হলেও দীর্ঘমেয়াদে দেশের স্বার্থে প্রয়োজন। এ সময় তিনি দেশের অর্থনীতিকে সঠিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে বিরোধী দলসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

অর্থমন্ত্রী বর্তমান অর্থনীতির নাজুক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে খেলাপি ঋণের হার ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে, যা অর্থনীতির গতি স্থবির করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। ২০০৫ সালে এই হার ছিল ১৩ শতাংশ। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের আর্থিক সক্ষমতা ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। বর্তমান নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সততা ও সঠিক ভিশন নিয়ে কাজ করলে এই সংকটময় পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

ঋণ পুনঃতফসিলিকরণ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি ব্যাংকিং খাতের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং বিশ্বজুড়েই এর প্রচলন রয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়িক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিভিন্ন সময় এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে হয়। তবে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে রাজনৈতিক ঐকমত্য ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।