ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

কুষ্টিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে জনি হোসেন ওরফে রাজিম (৩০) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জয়নাল আবেদীন আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত জনি ভেড়ামারার বাহিরচর ইউনিয়নের ১৬ দাগ এলাকার বাসিন্দা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় গোপন করে নিজেকে সেনাসদস্য পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন জনি। ২০২২ সালের শুরুর দিকে কৌশলে ওই তরুণীর বাড়িতে গিয়ে তিনি প্রথমবার ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করলে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এ সময় বিয়ের চাপ দিলে জনি তরুণীর পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন এবং একপর্যায়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে ওই তরুণী একটি পুত্রসন্তান জন্ম দেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে ডিএনএ টেস্টের রিপোর্টসহ পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচারক আজ এই রায় প্রদান করেন। আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ৬০ দিনে ৯ খুন: জনমনে তীব্র আতঙ্ক, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন

কুষ্টিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে জনি হোসেন ওরফে রাজিম (৩০) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জয়নাল আবেদীন আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত জনি ভেড়ামারার বাহিরচর ইউনিয়নের ১৬ দাগ এলাকার বাসিন্দা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় গোপন করে নিজেকে সেনাসদস্য পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন জনি। ২০২২ সালের শুরুর দিকে কৌশলে ওই তরুণীর বাড়িতে গিয়ে তিনি প্রথমবার ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করলে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এ সময় বিয়ের চাপ দিলে জনি তরুণীর পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন এবং একপর্যায়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে ওই তরুণী একটি পুত্রসন্তান জন্ম দেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে ডিএনএ টেস্টের রিপোর্টসহ পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচারক আজ এই রায় প্রদান করেন। আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।