ঢাকা ১২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

হলি আর্টিসান ট্র্যাজেডির এক দশক: এক শোকাতুর ও সাহসী অধ্যায়

আজ ১ জুলাই, বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কলঙ্কিত ও ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ১০ বছর পূর্ণ হলো। ২০১৬ সালের এই দিনে গুলশানের হলি আর্টিসান বেকারিতে সংঘটিত সেই নারকীয় হামলায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো বিশ্ব। পাঁচজন সশস্ত্র তরুণ রেস্তোরাঁটিতে ঢুকে দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে ১২ ঘণ্টার এক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল।

সেই ভয়াল রাতে জঙ্গিদের হাতে ১৭ জন বিদেশি ও ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারান। এছাড়া জিম্মিদের উদ্ধার করতে গিয়ে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে শহীদ হন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। পরদিন সকালে সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডোদের পরিচালিত ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’-এর মাধ্যমে জিম্মি সংকটের অবসান ঘটে এবং খতম হয় সব হামলাকারী।

হলি আর্টিসান হামলার পরবর্তী সময়ে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জঙ্গিবাদ দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। ২০১৯ সালে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই মামলার রায়ে সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনে এবং উগ্রবাদ দমনে জাতীয় ঐক্যকে আরও সুসংহত করে। এক দশক পেরিয়ে গেলেও সেই রাতের বিভীষিকা আজও দেশবাসীর মনে গভীর ক্ষত হয়ে আছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পানি নিয়ে ভারতকে কঠোর হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের: ‘হাত কেটে ফেলা হবে’ বলে হুমকি

হলি আর্টিসান ট্র্যাজেডির এক দশক: এক শোকাতুর ও সাহসী অধ্যায়

আপডেট সময় : ১১:৩৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

আজ ১ জুলাই, বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কলঙ্কিত ও ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ১০ বছর পূর্ণ হলো। ২০১৬ সালের এই দিনে গুলশানের হলি আর্টিসান বেকারিতে সংঘটিত সেই নারকীয় হামলায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো বিশ্ব। পাঁচজন সশস্ত্র তরুণ রেস্তোরাঁটিতে ঢুকে দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে ১২ ঘণ্টার এক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল।

সেই ভয়াল রাতে জঙ্গিদের হাতে ১৭ জন বিদেশি ও ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারান। এছাড়া জিম্মিদের উদ্ধার করতে গিয়ে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে শহীদ হন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। পরদিন সকালে সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডোদের পরিচালিত ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’-এর মাধ্যমে জিম্মি সংকটের অবসান ঘটে এবং খতম হয় সব হামলাকারী।

হলি আর্টিসান হামলার পরবর্তী সময়ে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জঙ্গিবাদ দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। ২০১৯ সালে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই মামলার রায়ে সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনে এবং উগ্রবাদ দমনে জাতীয় ঐক্যকে আরও সুসংহত করে। এক দশক পেরিয়ে গেলেও সেই রাতের বিভীষিকা আজও দেশবাসীর মনে গভীর ক্ষত হয়ে আছে।