ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে প্রবাসী রফিক হত্যা মামলা: ১৭ বছর পর ৭ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চট্টগ্রামের আলোচিত প্রবাসী মো. রফিক হত্যা মামলায় সাতজন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাবাসের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ষষ্ঠ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের জুলাই মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে দেশে ফেরেন রফিক। ওই বছরের ১৪ আগস্ট নগরীর কদমতলী এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মরদেহ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় নিহতের ভাই জাকির হোসেন কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত এই রায় প্রদান করলেন।

রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৯ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত সাতজনের মধ্যে চারজন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত থাকলেও বাকি তিনজন পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে সংশ্লিষ্ট থানায় পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ৬০ দিনে ৯ খুন: জনমনে তীব্র আতঙ্ক, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন

চট্টগ্রামে প্রবাসী রফিক হত্যা মামলা: ১৭ বছর পর ৭ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১১:২৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের আলোচিত প্রবাসী মো. রফিক হত্যা মামলায় সাতজন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাবাসের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ষষ্ঠ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের জুলাই মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে দেশে ফেরেন রফিক। ওই বছরের ১৪ আগস্ট নগরীর কদমতলী এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মরদেহ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় নিহতের ভাই জাকির হোসেন কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত এই রায় প্রদান করলেন।

রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৯ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত সাতজনের মধ্যে চারজন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত থাকলেও বাকি তিনজন পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে সংশ্লিষ্ট থানায় পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।