ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

গাজীপুরে ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ: ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন এবং ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন—কোনাবাড়ী থানার এএসআই আজিজুল হক, কনস্টেবল নাজমুল হোসেন ও মামুন হোসেন। তাদের বর্তমানে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাইমাইল এলাকা থেকে তাকে একটি অটোরিকশায় জোরপূর্বক তুলে নেওয়া হয়। পরে নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে মারধর করা হয় এবং পলিথিনে মোড়ানো ইয়াবা দেখিয়ে মাদক মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়। প্রাণভয়ে ওই ব্যবসায়ী তার কাছে থাকা নগদ টাকা এবং বিকাশের মাধ্যমে মোট ৩৫ হাজার টাকার বেশি দিতে বাধ্য হন। এ সময় সিফাত নামে আরও এক যুবককে আটকে রেখে একইভাবে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কোনাবাড়ী জোনের সহকারী কমিশনার আবু নাসের আল-আমিন জানান, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্তদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনৈতিক ও মানবাধিকার বিতর্ক ছাপিয়ে শুরু হলো বিশ্বকাপ, নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি আয়োজকরা

গাজীপুরে ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ: ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ১১:২৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন এবং ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন—কোনাবাড়ী থানার এএসআই আজিজুল হক, কনস্টেবল নাজমুল হোসেন ও মামুন হোসেন। তাদের বর্তমানে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাইমাইল এলাকা থেকে তাকে একটি অটোরিকশায় জোরপূর্বক তুলে নেওয়া হয়। পরে নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে মারধর করা হয় এবং পলিথিনে মোড়ানো ইয়াবা দেখিয়ে মাদক মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়। প্রাণভয়ে ওই ব্যবসায়ী তার কাছে থাকা নগদ টাকা এবং বিকাশের মাধ্যমে মোট ৩৫ হাজার টাকার বেশি দিতে বাধ্য হন। এ সময় সিফাত নামে আরও এক যুবককে আটকে রেখে একইভাবে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কোনাবাড়ী জোনের সহকারী কমিশনার আবু নাসের আল-আমিন জানান, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্তদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।