বাংলাদেশের কৃষি খাতকে টেকসই ও আধুনিক রূপে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) কুমিল্লা পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) আন্তর্জাতিক হলরুমে ‘বাংলাদেশের কৃষি রূপান্তর বিষয়ক আঞ্চলিক কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে কৃষি
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ কৃষিকে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, গার্মেন্টস শিল্প এখন প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, এমতাবস্থায় খাদ্য ও অর্থনীতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বজায় রাখতে কৃষির কোনো বিকল্প নেই। প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিক পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃষি রূপান্তরের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী সঠিক পরিকল্পনা অপরিহার্য।
‘আউটলুক ২০৫০’ পরিকল্পনা
কর্মশালায় কৃষি রূপান্তরের জন্য ‘আউটলুক ২০৫০’ নামের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই ২৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় এগিয়ে যাচ্ছে। সচিব উল্লেখ করেন, কৃষি ক্ষেত্রে বর্তমানে বিদ্যমান গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের জন্য কাজ করা হবে এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষি বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
জাতিসংঘের ‘খাদ্য ও কৃষি সংস্থা’ (এফএও) এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মশালাটি আয়োজিত হয়। এতে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেছে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন।
সমন্বিত মহাপরিকল্পনা
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কৃষি উন্নয়নে নানা পরিকল্পনা নিয়েছে। ২০৫০ সালকে সামনে রেখে একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে, যার মাধ্যমে কৃষি খাতের সঙ্গে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর এবং মৎস্য অধিদপ্তরের মতো সহখাতসমূহকে একীভূত করে কাজ করা হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বার্ডের মহাপরিচালক সাইফুদ্দিন আহমেদ এবং এফএও-এর টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার মার্টিন মাওগুস্টিনি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























