কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই নেতার ওপর ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় দুই শিবির নেতা আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনের মাথা ফেটে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, হামলার সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
রবিবার দুপুরে রাজারহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত শিবির নেতারা হলেন— রাজারহাট উপজেলা পশ্চিম থানা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সুজন মিয়া এবং কুড়িগ্রাম জেলা স্কুল বিভাগের বাইতুল মাল সম্পাদক সামিদ সাকি মাহিন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্য এবং এক শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতাকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে শিবির নেতা সুজন ও মাহিন ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত শিবির নেতা মাহিনের অভিযোগ, ছাত্রদল নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। সুজন মিয়ার মাথা ফেটে যায় এবং ঘটনাস্থলে চারজন পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো সহযোগিতা করেননি। অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল পাটোয়ারি, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান সাদ্দামসহ কয়েকজন এই হামলায় জড়িত ছিলেন।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল পাটোয়ারি বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এক নেতা ফেসবুকে অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন। এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে শিবির নেতারা উত্তেজনা সৃষ্টি করে। এরপর উত্তেজিত হয়ে তাদের কর্মীরা শিবিরের নেতাদের মারধর করে।
এ বিষয়ে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ জানান, ফেসবুক পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
রিপোর্টারের নাম 























