রাজধানীর উত্তর বাড্ডার একটি বাসা থেকে মুনিরা মাহজাবিন মিমো (২৬) নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে, যেখানে তার এক বান্ধবী ও একজন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই শিক্ষক ও বান্ধবীকে থানা হেফাজতে নিয়েছে বাড্ডা থানা পুলিশ।
মাহজাবিন মিমো ঢাবির থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন, তিনি নিজের কক্ষে ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফাতেমা সিদ্দিকা সোমা মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন। তিনি জানান, মৃতার বাবা, মা ও বোনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মিমো ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। চিরকুটটি তার হাতের লেখা কিনা, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
মিমোর সহপাঠী ও স্বজনরা ঢামেক মর্গে এসেছিলেন। চিরকুটের বিষয়ে জানা গেছে, সেখানে শিক্ষকের কাছে ৫০ হাজার টাকা পাওনা থাকার কথা উল্লেখ করে তা পরিশোধের অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া, এক বান্ধবীর উদ্দেশ্যে ভালো থাকার বার্তা লেখা ছিল।
ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে মৃতার স্বজনরা মরদেহ নিয়ে যান। মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ডাইয়ারচর গ্রামের মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা ও তাহমিনা আক্তারের ছোট মেয়ে মিমো উত্তর বাড্ডার পূর্বাঞ্চল উদয়ন ম্যানসন ভবনে পরিবারের সাথে থাকতেন। ফরেনসিক চিকিৎসক ডা. দেবিকা রায় জানিয়েছেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য ভিসেরা, ব্লাড ও ডিএনএ প্রোফাইলিং নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এসব রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
রিপোর্টারের নাম 























