ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সিরাজগঞ্জে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি: ৪ লক্ষ টাকা জরিমানা ও কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে তিন ফসলি জমির উর্বর মাটি কেটে বিক্রি ও পরিবহনের দায়ে চারটি ড্রামট্রাক জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে চার ব্যক্তিকে চার লক্ষ টাকা জরিমানা ও প্রত্যেককে ২৫ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার তাড়াশ পৌর শহরের শোলাপাড়া এলাকায়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান আহম্মেদ। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার রাকিব হোসেন, গুরুদাসপুর উপজেলার ইসাহাক আলী, বড়াইগ্রাম উপজেলার মেহেদি হাসান এবং একই উপজেলার তামজিদ হোসেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান আহম্মেদ জানান, কৃষিজমির মূল্যবান মাটি অবৈধভাবে কেটে বিক্রি ও পরিবহনের অভিযোগে ঘটনাস্থলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় চারটি ড্রামট্রাকসহ চালকদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক লক্ষ টাকা করে মোট চার লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অর্থদণ্ড পরিশোধ না করায় প্রত্যেককে সাজা আরও দশ দিন বাড়িয়ে মোট পঁচিশ দিন করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের তাড়াশ থানা পুলিশের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং জব্দকৃত ট্রাকগুলো পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রস্তাবিত বাজেটে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী বৃদ্ধি, হজ ব্যবস্থাপনা সহজ করার উদ্যোগ

সিরাজগঞ্জে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি: ৪ লক্ষ টাকা জরিমানা ও কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:০৭:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে তিন ফসলি জমির উর্বর মাটি কেটে বিক্রি ও পরিবহনের দায়ে চারটি ড্রামট্রাক জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে চার ব্যক্তিকে চার লক্ষ টাকা জরিমানা ও প্রত্যেককে ২৫ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার তাড়াশ পৌর শহরের শোলাপাড়া এলাকায়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান আহম্মেদ। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার রাকিব হোসেন, গুরুদাসপুর উপজেলার ইসাহাক আলী, বড়াইগ্রাম উপজেলার মেহেদি হাসান এবং একই উপজেলার তামজিদ হোসেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান আহম্মেদ জানান, কৃষিজমির মূল্যবান মাটি অবৈধভাবে কেটে বিক্রি ও পরিবহনের অভিযোগে ঘটনাস্থলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় চারটি ড্রামট্রাকসহ চালকদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক লক্ষ টাকা করে মোট চার লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অর্থদণ্ড পরিশোধ না করায় প্রত্যেককে সাজা আরও দশ দিন বাড়িয়ে মোট পঁচিশ দিন করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের তাড়াশ থানা পুলিশের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং জব্দকৃত ট্রাকগুলো পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।