ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তবে সংগঠনটি মনে করে, ঘোষিত সংস্কার কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নই এই বাজেটের প্রকৃত সাফল্য নির্ধারণ করবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে আয়োজিত বাজেট-পরবর্তী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট এবং ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে এর কার্যকর বাস্তবায়নের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, উচ্চ রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য এবং ঋণনির্ভর ঘাটতি ব্যবস্থাপনা বেসরকারি খাতে অর্থপ্রবাহের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
সংগঠনটি উৎসে করকে অগ্রিম কর হিসেবে বিবেচনা করা, শিল্পের কাঁচামালে করহার কমানো, ৬০টি নিত্যপণ্যে স্বল্প হারে কর নির্ধারণ, পাঁচ বছরের কর কাঠামো আগাম ঘোষণা এবং স্বাস্থ্যসেবা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বৈদ্যুতিক যানবাহন খাতে প্রণোদনাকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে তারা করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করার দাবি জানিয়েছে।
ডিসিসিআই ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজে সিএমএসএমই খাতের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ, নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসার করব্যবস্থা সহজ করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। সংগঠনটির মতে, সিঙ্গেল উইন্ডো ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা, দ্রুত ওয়ার্ক পারমিট প্রদান, বিদেশি ঋণের সুদের ওপর উৎসে কর কমানো এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতিগত পরিবর্তন দেশীয় ও বৈদেশিক পুঁজি আকর্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
রিপোর্টারের নাম 





















