চট্টগ্রাম বন্দর কোনো বিদেশি অপারেটরের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বুধবার জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেনের প্রশ্নের জবাবে নৌ পরিবহন মন্ত্রী এ কথা জানান।
নৌ পরিবহন মন্ত্রী বলেন, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটি (পিপিপিএ) অথবা সরকারের অনুমোদনে শুধুমাত্র বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার লক্ষ্যে অপারেটর নিয়োগ করা হয়। এক্ষেত্রে দেশি এবং বিদেশি উভয় ধরনের অপারেটর বিবেচনাযোগ্য। মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বন্দরের আধুনিকায়ন এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের অব্যাহত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি অপারেটর দ্বারা বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল পরিচালনা করা হচ্ছে। যেমন বন্দরের পতেঙ্গা কনটেনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশি অপারেটর দায়িত্ব পালন করছেন। লালদিয়া কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য পিপিপি পদ্ধতিতে ডেনমার্কস্থ মার্কস গ্রুপের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস বিভি-এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এটি একজন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বোর্ড এবং সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত। সরকার সময় সময় যেসব নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রতিপালন করে থাকে।
এছাড়াও, এনসিপির সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের প্রশ্নের জবাবে নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, সারাদেশে নদ-নদীর মোট ২১ হাজার ৯৮২ জন অবৈধ দখলদার রয়েছে। নদ-নদীর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের কর্মপরিকল্পনা পাঠাতে সব জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সারাদেশে নদ-নদীর অবৈধ দখলদারদের অবিলম্বে উচ্ছেদযোগ্য তালিকা পেলে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
বিএনপির এমপি মোশারফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, বর্তমানে চলাচল উপযোগী ৪৭টি ফেরি আছে। এর মধ্যে রো-রো ফেরি ১২টি, মিডিয়াম ফেরি-১৬টি, ইমপ্রভড মিডিয়াম ফেরি-৮টি, ইউটিলিটি ফেরি-১১টি। তিনি বলেন, বিআইডব্লিউটিসি-র জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং ৬টি ইউটিলিটি ফেরি নির্মাণাধীন রয়েছে, যা আগামী জুনের মধ্যে ট্রাফিকে সংযুক্ত হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























