ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বাকেরগঞ্জে মাদরাসাছাত্রকে বেধড়ক পিটুনি, পলাতক শিক্ষক

বরিশালের বাকেরগঞ্জে ফয়জুল করিম মুছা (৮) নামের এক মাদরাসাছাত্রকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক মো. সোয়াইব হোসেন গা-ঢাকা দিয়েছেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের আল কারিম হিফজুল কোরআন নুরানি মাদরাসায় এই বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে। নির্যাতনের শিকার শিশুটি ওই গ্রামের মো. রুহুল আমিন মুন্সীর সন্তান।

শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, মাদরাসায় ছেলের ওপর নির্যাতনের খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে মা মুক্তা বেগম সেখানে ছুটে যান। ছেলের শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ও রক্ত জমাট বাঁধা অবস্থায় দেখে তিনি তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. সোয়াইব হোসেন ও মাদরাসা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাংবাদিক পরিচয় পেয়েই তিনি ফোন কেটে দেন। এদিকে মাদরাসা পরিচালক ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেও শিক্ষার্থীদের ওপর নিয়মিত নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন জানিয়েছেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জে জাল টাকা ক্রয়-বিক্রয়ের দায়ে যুবককে ১০ বছরের কারাদণ্ড

বাকেরগঞ্জে মাদরাসাছাত্রকে বেধড়ক পিটুনি, পলাতক শিক্ষক

আপডেট সময় : ০৬:১৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

বরিশালের বাকেরগঞ্জে ফয়জুল করিম মুছা (৮) নামের এক মাদরাসাছাত্রকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক মো. সোয়াইব হোসেন গা-ঢাকা দিয়েছেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের আল কারিম হিফজুল কোরআন নুরানি মাদরাসায় এই বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে। নির্যাতনের শিকার শিশুটি ওই গ্রামের মো. রুহুল আমিন মুন্সীর সন্তান।

শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, মাদরাসায় ছেলের ওপর নির্যাতনের খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে মা মুক্তা বেগম সেখানে ছুটে যান। ছেলের শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ও রক্ত জমাট বাঁধা অবস্থায় দেখে তিনি তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. সোয়াইব হোসেন ও মাদরাসা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাংবাদিক পরিচয় পেয়েই তিনি ফোন কেটে দেন। এদিকে মাদরাসা পরিচালক ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেও শিক্ষার্থীদের ওপর নিয়মিত নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন জানিয়েছেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।