ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় ১ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেবে স্বাস্থ্য বিভাগ

চুয়াডাঙ্গা জেলায় ১ লাখ ৩০৫ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এই টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করতে রোববার দুপুরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়াউদ্দিন আহমেদ কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে জানান, সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে টানা তিন সপ্তাহব্যাপী এই কার্যক্রম চলবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারি ছুটি ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. ইমরান হাম ও রুবেলা রোগের ঝুঁকি এবং নিয়মিত টিকাদানের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

জেলায় মোট ৯৮০টি আউটরিচ কেন্দ্র এবং ৮টি স্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে এই বিশাল কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। এতে ৩ শতাধিক স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রায় ২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন। কর্মসূচিটি সঠিকভাবে তদারকির জন্য ১১৮ জন প্রথম সারির তত্ত্বাবধায়ক সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবেন বলে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাতকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি, ১১টি সিলিং ফ্যান লুট

চুয়াডাঙ্গায় ১ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেবে স্বাস্থ্য বিভাগ

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা জেলায় ১ লাখ ৩০৫ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এই টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করতে রোববার দুপুরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়াউদ্দিন আহমেদ কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে জানান, সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে টানা তিন সপ্তাহব্যাপী এই কার্যক্রম চলবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারি ছুটি ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. ইমরান হাম ও রুবেলা রোগের ঝুঁকি এবং নিয়মিত টিকাদানের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

জেলায় মোট ৯৮০টি আউটরিচ কেন্দ্র এবং ৮টি স্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে এই বিশাল কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। এতে ৩ শতাধিক স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রায় ২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন। কর্মসূচিটি সঠিকভাবে তদারকির জন্য ১১৮ জন প্রথম সারির তত্ত্বাবধায়ক সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবেন বলে জানানো হয়েছে।