ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের সরকারি ভাতা নেওয়ার প্রবণতা কমছে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

ব্রিটেনের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের মধ্যে সরকারি সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা কমছে। তাদের মধ্যে আত্মনির্ভর হওয়ার ঝোঁক বৃদ্ধিতে এই পরিবর্তন এসেছে বলে ধারণা করা যায়। সম্প্রতি প্রকাশিত এক জরিপে এ চিত্র উঠে এসেছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে ইউনিভার্সাল ক্রেডিট (ইউসি) প্রাপকদের মোট সংখ্যায় একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেলেও, এশীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যে একটি সূক্ষ্ম পরিবর্তন চোখে পড়েছে। সামগ্রিকভাবে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে বে‌নি‌ফিট (সরকারি সুবিধা) দাবিদারের সংখ্যা রেকর্ড ৭২ লাখে পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় ১১ লাখ বেশি।

তবে, দাবিদারদের মধ্যে এশীয় বংশোদ্ভূতদের সংখ্যা এক বছরে ১০ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কিছু কমে ১০ দশমিক ১ শতাংশে নেমেছে। এই হ্রাস অল্প হলেও, এশীয় এবং বিশেষত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ পরিবারগুলোতে সরকারি ভাতার বদলে আত্মনির্ভরশীলতার পন্থা খুঁজে বের করার এক নিরন্তর সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরে।

এই প্রেক্ষাপটটি বাড়তি আরেকটি গুরুত্ব হলো, পাকিস্তানি এবং বাংলাদেশি সম্প্রদায়ে বহুদিন ধরেই ব্রিটেনের সমস্ত জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে কর্মসংস্থানের হার ছিল সবচেয়ে কম। ২০২২ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই দুই সম্প্রদায়ে মাত্র ৬১ শতাংশ কর্মক্ষম মানুষ কোনও কাজে যুক্ত ছিলেন।

অবশ্য, বেনিফিট দাবিদারের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ কেবল বেকার লোক আচমকা বেড়ে যাওয়া নয়। মূলত আগের বিভিন্ন কল্যাণ প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার উদ্যোগে সংখ্যাটি হুট করে বৃদ্ধি পেয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবাব সলিমুল্লাহর দূরদর্শী পদক্ষেপে মুসলিম নারী শিক্ষার বিস্তার

ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের সরকারি ভাতা নেওয়ার প্রবণতা কমছে

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

ব্রিটেনের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের মধ্যে সরকারি সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা কমছে। তাদের মধ্যে আত্মনির্ভর হওয়ার ঝোঁক বৃদ্ধিতে এই পরিবর্তন এসেছে বলে ধারণা করা যায়। সম্প্রতি প্রকাশিত এক জরিপে এ চিত্র উঠে এসেছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে ইউনিভার্সাল ক্রেডিট (ইউসি) প্রাপকদের মোট সংখ্যায় একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেলেও, এশীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যে একটি সূক্ষ্ম পরিবর্তন চোখে পড়েছে। সামগ্রিকভাবে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে বে‌নি‌ফিট (সরকারি সুবিধা) দাবিদারের সংখ্যা রেকর্ড ৭২ লাখে পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় ১১ লাখ বেশি।

তবে, দাবিদারদের মধ্যে এশীয় বংশোদ্ভূতদের সংখ্যা এক বছরে ১০ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কিছু কমে ১০ দশমিক ১ শতাংশে নেমেছে। এই হ্রাস অল্প হলেও, এশীয় এবং বিশেষত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ পরিবারগুলোতে সরকারি ভাতার বদলে আত্মনির্ভরশীলতার পন্থা খুঁজে বের করার এক নিরন্তর সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরে।

এই প্রেক্ষাপটটি বাড়তি আরেকটি গুরুত্ব হলো, পাকিস্তানি এবং বাংলাদেশি সম্প্রদায়ে বহুদিন ধরেই ব্রিটেনের সমস্ত জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে কর্মসংস্থানের হার ছিল সবচেয়ে কম। ২০২২ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই দুই সম্প্রদায়ে মাত্র ৬১ শতাংশ কর্মক্ষম মানুষ কোনও কাজে যুক্ত ছিলেন।

অবশ্য, বেনিফিট দাবিদারের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ কেবল বেকার লোক আচমকা বেড়ে যাওয়া নয়। মূলত আগের বিভিন্ন কল্যাণ প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার উদ্যোগে সংখ্যাটি হুট করে বৃদ্ধি পেয়েছে।