ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

জেমকন গ্রুপের পরিচালক কাজী ইনামের ১০ ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ আদালতের

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে জেমকন গ্রুপের পরিচালক এবং যশোর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের ভাই কাজী ইনাম আহমেদের ১০টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে তার জব্দকৃত স্থাবর ও অস্থায়ী সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রিসিভার নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর আদালতে এই ব্যাংক হিসাবগুলো জব্দের আবেদন জানান। দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়, কাজী ইনাম আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে ৩২ কোটি ৬৬ লাখ ১৬ হাজার টাকার বেশি সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া তার বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ৭৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য মিলেছে, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় পড়ে। মামলাটি বর্তমানে অধিকতর তদন্তাধীন রয়েছে।

আদালতে দাখিল করা আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, আসামি তার নামে অর্জিত অবৈধ সম্পদ হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন। এছাড়া তিনি দেশত্যাগ করে আত্মগোপনে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে তদন্তকারী সংস্থা। এ অবস্থায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং রাষ্ট্রের সম্পদ রক্ষার্থে তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা জরুরি হয়ে পড়েছিল। শুনানির পর আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের সময় বাঁচাতে প্রতিটি উপজেলায় হচ্ছে আধুনিক পরীক্ষা কেন্দ্র

জেমকন গ্রুপের পরিচালক কাজী ইনামের ১০ ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ আদালতের

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে জেমকন গ্রুপের পরিচালক এবং যশোর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের ভাই কাজী ইনাম আহমেদের ১০টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে তার জব্দকৃত স্থাবর ও অস্থায়ী সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রিসিভার নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর আদালতে এই ব্যাংক হিসাবগুলো জব্দের আবেদন জানান। দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়, কাজী ইনাম আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে ৩২ কোটি ৬৬ লাখ ১৬ হাজার টাকার বেশি সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া তার বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ৭৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য মিলেছে, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় পড়ে। মামলাটি বর্তমানে অধিকতর তদন্তাধীন রয়েছে।

আদালতে দাখিল করা আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, আসামি তার নামে অর্জিত অবৈধ সম্পদ হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন। এছাড়া তিনি দেশত্যাগ করে আত্মগোপনে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে তদন্তকারী সংস্থা। এ অবস্থায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং রাষ্ট্রের সম্পদ রক্ষার্থে তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা জরুরি হয়ে পড়েছিল। শুনানির পর আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।