লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা মহামারির জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ লোপাটের অভিযোগে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তৎকালীন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাজন কুমার দাসের বিরুদ্ধে সম্মুখসারির যোদ্ধা ও কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দকৃত ৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত এই টাকা সাবেক এক কর্মকর্তা প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সরকারি কোষাগারে রেখে গেলেও, ডা. রাজন দায়িত্ব নেওয়ার পর গোপনে তা উত্তোলন করেন। দীর্ঘদিন ধরে পাওনা না পাওয়ায় ৪৬ জন কর্মচারী বিভাগীয় পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর অভিযুক্ত কর্মকর্তা লোকচক্ষুর অন্তরালে ৪ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দিলেও বাকি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার কোনো হদিস মেলেনি।
এই দুর্নীতির রহস্য উদ্ঘাটনে নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাককে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি বুধবার সরেজমিনে হাসপাতাল পরিদর্শন করে ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য গ্রহণ ও নথিপত্র যাচাই করবেন। বর্তমানে ডা. রাজন কুমার দাস চাঁদপুরের একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত রয়েছেন। এই ঘটনায় হাসপাতালের আরও কয়েকজন অসাধু কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























