জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান তার বাসভবনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’ গানের সুরের মূর্ছনায় মুখরিত পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং আগত অতিথিদের মধ্যে জিলাপি, সন্দেশ, কদমা, তরমুজ, আমের শরবত, বাতাসা, মুড়ি, খৈসহ নানা বাঙালি খাবার পরিবেশন করা হয়।
উপাচার্য সকাল পৌনে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ও মানবিকী অনুষদ চত্বরে মৃৎ মঞ্চে বর্ষবরণ ও পহেলা বৈশাখের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরপর সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল-দীন মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়।
বর্ষবরণ শোভাযাত্রা উদ্বোধনকালে উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কৃতির রাজধানী হিসেবে পরিচিত এবং এ বছর নববর্ষের আয়োজনে বৈচিত্র্য বিগত যে কোনো সময়ের চেয়ে অনন্য। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য কেবল মেধাবীদের কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা নয়, বরং নৈতিকভাবে একজন আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। উপাচার্য আরও বলেন, ‘গতকাল চৈত্র সংক্রান্তিতে আমরা বিগত বছরের দুঃখ-কষ্ট পেছনে ফেলে ভালোকে ধারণ করে অগ্রসর হতে চাই। ভালো হোক আমাদের প্রেরণার উৎস।’ তিনি নতুন বছরের এই মাহেন্দ্রক্ষণে সকলকে ভিন্ন মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার করেন।
বর্ষবরণ শোভাযাত্রায় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, হল প্রভোস্ট, জাকসু’র ভিপি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, মহিলা ক্লাবের সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং জাবি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীগণ অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রা শেষে উপাচার্য টিএসসি চত্বরে আয়োজিত মেলা উদ্বোধন করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























