কক্সবাজারের রামু উপজেলায় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি আয়োজিত এক গণশুনানিতে ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতা শত শত নারী-পুরুষ তাদের সমস্যা ও আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরেছেন। প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদের এই মানুষগুলো ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে তাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
কক্সবাজার অঞ্চলে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি সংস্থা ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা) ও কোস্ট ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই গণশুনানির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে নারী গ্রাহকরা ঋণদাতা সংস্থাগুলোর বিভিন্ন সমস্যা, বিশুদ্ধ পানির অভাব, সামাজিক খাতে এনজিওগুলোর ব্যয় এবং বেসরকারি খাতের বিভিন্ন দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তারা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গ্রাহকদের উন্নত সেবা প্রদানের উপর জোর দেন, বিশেষ করে নারী ও পর্যটন খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, বিশুদ্ধ পানি সমস্যা সমাধানে প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি দায়িত্ব না নিলেও বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এর আংশিক সমাধান সম্ভব। তিনি আরও বলেন, বেসরকারি সংস্থাগুলো লাভ ভাগাভাগি না করে গ্রাহকদের সেবা প্রদান বা সামাজিক খাতে ব্যয় করলে তা তাদের সরকারি ও বেসরকারি খাতের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকতে সহায়তা করবে। তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে আইন ও বিধিমালা পরিবর্তনের মাধ্যমে বেশি তহবিল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং সরকারের বিভিন্ন উৎস থেকে কনসেশনাল ফান্ড আনার জন্য লবিং করা হচ্ছে বলেও জানান। তার মতে, কক্সবাজারে রেললাইন হওয়ার পর নতুন পর্যটন চাহিদা তৈরি হয়েছে, যা পেশাদারিত্ব ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কাজে লাগানো যেতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 






















