ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্তে বিপাকে খুচরা ব্যবসায়ীরা, সময় বাড়ানোর দাবি

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি নির্দেশনায় সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বিপণিবিতান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্তে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন দেশের খুচরা ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের বিক্রেতারা জানান, লেনদেনের প্রধান সময় দুই-তিন ঘণ্টা কমে যাওয়ায় প্রতিদিনের খরচ ওঠানোই কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যবসার ধারাবাহিকতা রক্ষায় দোকান খোলা রাখার সময় অন্তত রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

রাজধানীর নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি ও গুলিস্তানের মতো ব্যস্ত এলাকার ব্যবসায়ীদের মতে, সাধারণ মানুষ সাধারণত অফিস শেষ করে কেনাকাটা করতে আসেন। নতুন সময়সীমার কারণে ক্রেতাদের এই বড় অংশটি বাজারে আসার সুযোগ পাচ্ছেন না, যার ফলে প্রতিদিনের গড় বিক্রি প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। পোশাক, ইলেকট্রনিক্স ও প্রসাধনী খাতের বিক্রেতারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, খুচরা খাতের উদ্যোক্তারা মূলত সন্ধ্যা-পরবর্তী বিকিকিনির ওপরই নির্ভরশীল। বর্তমান পরিস্থিতিতে দোকানের ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল এবং কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা অনেকের জন্যই দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। জ্বালানি সাশ্রয়ের গুরুত্ব স্বীকার করলেও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের টিকে থাকার স্বার্থে সময়সীমা কিছুটা শিথিল করার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুঝুঁকি ও লিবিয়ার ‘গেম ঘরে’ বন্দি বাংলাদেশিরা

সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্তে বিপাকে খুচরা ব্যবসায়ীরা, সময় বাড়ানোর দাবি

আপডেট সময় : ০৩:০৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি নির্দেশনায় সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বিপণিবিতান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্তে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন দেশের খুচরা ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের বিক্রেতারা জানান, লেনদেনের প্রধান সময় দুই-তিন ঘণ্টা কমে যাওয়ায় প্রতিদিনের খরচ ওঠানোই কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যবসার ধারাবাহিকতা রক্ষায় দোকান খোলা রাখার সময় অন্তত রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

রাজধানীর নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি ও গুলিস্তানের মতো ব্যস্ত এলাকার ব্যবসায়ীদের মতে, সাধারণ মানুষ সাধারণত অফিস শেষ করে কেনাকাটা করতে আসেন। নতুন সময়সীমার কারণে ক্রেতাদের এই বড় অংশটি বাজারে আসার সুযোগ পাচ্ছেন না, যার ফলে প্রতিদিনের গড় বিক্রি প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। পোশাক, ইলেকট্রনিক্স ও প্রসাধনী খাতের বিক্রেতারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, খুচরা খাতের উদ্যোক্তারা মূলত সন্ধ্যা-পরবর্তী বিকিকিনির ওপরই নির্ভরশীল। বর্তমান পরিস্থিতিতে দোকানের ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল এবং কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা অনেকের জন্যই দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। জ্বালানি সাশ্রয়ের গুরুত্ব স্বীকার করলেও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের টিকে থাকার স্বার্থে সময়সীমা কিছুটা শিথিল করার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।