ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

পাবনায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার রাস্তা সংস্কারে পোড়া ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে একটি গ্রামীণ সড়ক সংস্কার কাজে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি রাস্তার কাজে অত্যন্ত নিম্নমানের এবং পোড়া ইটের খোয়া ব্যবহার করছে। এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করে এসব সামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিলেও তা তোয়াক্কা করছেন না সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার।

জানা গেছে, কুষ্টিয়ার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই ৩ হাজার ৫৭৬ মিটার দীর্ঘ সড়ক মেরামতের কাজ পেলেও বর্তমানে পাবনার একটি সাব-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পরিচালনা করছে। তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলীদের অনুপস্থিতিতেই এই নিম্নমানের কাজ চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলজিইডি অফিস থেকে জানানো হয়েছে, ত্রুটিপূর্ণ সামগ্রী অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ সড়ক মেরামত প্রকল্পের আওতায় এই কাজ শুরু হয়। তবে কাজের শুরু থেকেই গুণগত মান বজায় না রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, এভাবে কাজ সম্পন্ন হলে অল্প দিনের মধ্যেই রাস্তাটি পুনরায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু, শোকের ছায়া বাঁশখালীতে

পাবনায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার রাস্তা সংস্কারে পোড়া ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:০১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে একটি গ্রামীণ সড়ক সংস্কার কাজে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি রাস্তার কাজে অত্যন্ত নিম্নমানের এবং পোড়া ইটের খোয়া ব্যবহার করছে। এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করে এসব সামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিলেও তা তোয়াক্কা করছেন না সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার।

জানা গেছে, কুষ্টিয়ার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই ৩ হাজার ৫৭৬ মিটার দীর্ঘ সড়ক মেরামতের কাজ পেলেও বর্তমানে পাবনার একটি সাব-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পরিচালনা করছে। তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলীদের অনুপস্থিতিতেই এই নিম্নমানের কাজ চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলজিইডি অফিস থেকে জানানো হয়েছে, ত্রুটিপূর্ণ সামগ্রী অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ সড়ক মেরামত প্রকল্পের আওতায় এই কাজ শুরু হয়। তবে কাজের শুরু থেকেই গুণগত মান বজায় না রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, এভাবে কাজ সম্পন্ন হলে অল্প দিনের মধ্যেই রাস্তাটি পুনরায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।