রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক ব্যবস্থা সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে হল সংসদের এজিএস (সহকারী সাধারণ সম্পাদক) মো. ইসরাফীল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. সাকিব জুবায়ের এবং আবাসিক শিক্ষার্থী মো. ফোরকান হাফিজ জীম-এর। কক্ষে নারী প্রবেশের অভিযোগের ভিত্তিতে তল্লাশির ঘটনাকে কেন্দ্র করে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘটনার অধিকতর সত্য উদঘাটনের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং হল সংসদের সহসভাপতিকে (ভিপি) কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মাহবুবার রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, শনিবার আনুমানিক ভোর ৫টায় শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ১২১ নম্বর কক্ষে নারী প্রবেশের অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে। এই ঘটনায় তিন শিক্ষার্থীর আবাসিক ব্যবস্থা সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে এবং হল ভিপি মো. মোজাম্মেল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত এজিএস মো. ইসরাফীল জানান, একটি সূত্র থেকে হলে নারী আনার তথ্য পাওয়ার পর তিনি ভিপি ও জিএস-এর সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি যাচাই করতে গিয়েছিলেন। সেখানে এমন কিছু না পেয়ে তারা দুঃখ প্রকাশ করে ফিরে আসেন।
এ বিষয়ে হল সংসদের ভিপি মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ফজরের নামাজের আগে হলে নারী আনার বিষয়ে তাকে একজন তথ্য দেয়। তিনি জিএস ও এজিএসকে অবগত করে বিষয়টি গোপনে মিটমাট করে ফেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন, যাতে এটি আলোচনার বিষয় না হয়। রাত গভীর হওয়ায় হল প্রশাসনকে জানানো হয়নি।
শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মাহবুবার রহমান বলেন, হল প্রভোস্ট ছাড়া অন্য কারো, এমনকি হল ছাত্র সংসদের নেতা হলেও, আবাসিক হলে তল্লাশি করার অনুমতি নেই। যারা এই কাজ করেছেন, তারা হলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। এই কারণে তিন শিক্ষার্থীর আবাসিক ব্যবস্থা সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে এবং হল সংসদের ভিপিকে শোকজ করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















