ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালি পার হতে ব্যর্থ ‘বাংলার জয়যাত্রা’, ফিরছে শারজাহ বন্দরে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে দীর্ঘ ৪০ দিন ধরে আটকে থাকা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে রওনা দিয়ে হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছালে ইরান সরকার তাদের প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

জাহাজটি বর্তমানে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ বন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশনা পেয়েছে। বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক নিশ্চিত করেছেন যে, ইরান সরকারের দেওয়া নির্দেশনা মেনে তারা অনুমতি চেয়েছিল, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। কূটনৈতিক পর্যায়ে অনুমতি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানি রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের ক্ষমতা থাকলেও, ইঞ্জিন পুরোদমে চালু না রেখে পানির ব্যবহার সীমিত করা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে তাদের দৈনিক খাবারের বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে এবং ওয়ার অ্যালাউন্সও দেওয়া হচ্ছে।

গত ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর জাহাজটির কুয়েতের একটি বন্দরে নতুন করে পণ্য বোঝাই করার কথা ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জাহাজটির ৩৭ হাজার টন সার নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন যাওয়ার কথা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ধাক্কা: আইএমএফের সহায়তা লক্ষ্যমাত্রা ৫০ বিলিয়ন ডলার ছুঁতে পারে

হরমুজ প্রণালি পার হতে ব্যর্থ ‘বাংলার জয়যাত্রা’, ফিরছে শারজাহ বন্দরে

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে দীর্ঘ ৪০ দিন ধরে আটকে থাকা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে রওনা দিয়ে হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছালে ইরান সরকার তাদের প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

জাহাজটি বর্তমানে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ বন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশনা পেয়েছে। বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক নিশ্চিত করেছেন যে, ইরান সরকারের দেওয়া নির্দেশনা মেনে তারা অনুমতি চেয়েছিল, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। কূটনৈতিক পর্যায়ে অনুমতি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানি রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের ক্ষমতা থাকলেও, ইঞ্জিন পুরোদমে চালু না রেখে পানির ব্যবহার সীমিত করা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে তাদের দৈনিক খাবারের বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে এবং ওয়ার অ্যালাউন্সও দেওয়া হচ্ছে।

গত ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর জাহাজটির কুয়েতের একটি বন্দরে নতুন করে পণ্য বোঝাই করার কথা ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জাহাজটির ৩৭ হাজার টন সার নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন যাওয়ার কথা রয়েছে।