ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

চবি ক্যাম্পাসে ফের বিশালাকার ‘কিং কোবরা’ উদ্ধার, জনমনে আতঙ্ক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এলাকায় আবারও একটি বিশাল আকৃতির ‘কিং কোবরা’ বা শঙ্খচূড় সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ সংলগ্ন স্টাফ কলোনির একটি বাসা থেকে প্রায় ৮ ফুট দীর্ঘ এই বিষধর সাপটি উদ্ধার করা হয়।

সাপটি উদ্ধারে কাজ করেন ‘স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস’ (থ্রিএসএ) নামক একটি বিশেষ উদ্ধারকারী দল। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং ঘরের স্লাব ভেঙে সাপটিকে নিরাপদে বের করে আনেন। বর্তমানে সাপটি থ্রিএসএ দলের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও থ্রিএসএ-র উপদেষ্টা ড. ইব্রাহীম আল হায়দার জানান, কিং কোবরা পৃথিবীর অন্যতম বিষধর সাপ। এটি সাধারণত মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলে। তবে বন উজাড়, পাহাড়ে আগুন লাগানো এবং অতিরিক্ত আগাছানাশক ব্যবহারের ফলে আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই বন্যপ্রাণীগুলো লোকালয়ে চলে আসছে। সাপটি সুস্থ থাকলে পরবর্তীতে ক্যাম্পাসের গহিন অরণ্যে অবমুক্ত করা হবে, অন্যথায় চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিষ গবেষণা কেন্দ্রে পাঠানো হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবের পতাকায় কালেমা: প্রোটোকল ভেঙে ফিফার সম্মান প্রদর্শন

চবি ক্যাম্পাসে ফের বিশালাকার ‘কিং কোবরা’ উদ্ধার, জনমনে আতঙ্ক

আপডেট সময় : ০১:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এলাকায় আবারও একটি বিশাল আকৃতির ‘কিং কোবরা’ বা শঙ্খচূড় সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ সংলগ্ন স্টাফ কলোনির একটি বাসা থেকে প্রায় ৮ ফুট দীর্ঘ এই বিষধর সাপটি উদ্ধার করা হয়।

সাপটি উদ্ধারে কাজ করেন ‘স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস’ (থ্রিএসএ) নামক একটি বিশেষ উদ্ধারকারী দল। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং ঘরের স্লাব ভেঙে সাপটিকে নিরাপদে বের করে আনেন। বর্তমানে সাপটি থ্রিএসএ দলের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও থ্রিএসএ-র উপদেষ্টা ড. ইব্রাহীম আল হায়দার জানান, কিং কোবরা পৃথিবীর অন্যতম বিষধর সাপ। এটি সাধারণত মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলে। তবে বন উজাড়, পাহাড়ে আগুন লাগানো এবং অতিরিক্ত আগাছানাশক ব্যবহারের ফলে আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই বন্যপ্রাণীগুলো লোকালয়ে চলে আসছে। সাপটি সুস্থ থাকলে পরবর্তীতে ক্যাম্পাসের গহিন অরণ্যে অবমুক্ত করা হবে, অন্যথায় চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিষ গবেষণা কেন্দ্রে পাঠানো হতে পারে।