ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট: পাম্পে রাতযাপন বাইকারদের

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যা বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, তেল পাওয়ার নিশ্চয়তা পেতে অনেক চালক আগের রাত থেকেই ফিলিং স্টেশনে মশারি টানিয়ে অবস্থান নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে উপজেলার গাবতলীতে অবস্থিত মেসার্স ইসলাম ফিলিং স্টেশন এলাকায় এমন নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা গেছে। জ্বালানি তেলের সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতিটি মোটরসাইকেলকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন সৃষ্টি হচ্ছে।

জানা যায়, এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে তেল বিক্রি শুরু হওয়ার কথা। তাই আগের দিন দুপুর থেকেই অনেক বাইকার পাম্প এলাকায় জড়ো হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে মশারি টানিয়ে পাম্পের আশেপাশে রাত যাপন করতে দেখা গেছে।

রাতে অবস্থান নেওয়া বাইকার সাজু বলেন, ‘সারা দিন লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাই না। তাই রাতেই এসে থাকছি, না হলে আবার যদি তেল না পাই!’ সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে এই ভোগান্তি আরও বাড়বে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাদেশ ও সংস্কার ইস্যুতে সরকারের ইউ-টার্ন

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট: পাম্পে রাতযাপন বাইকারদের

আপডেট সময় : ০১:১৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যা বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, তেল পাওয়ার নিশ্চয়তা পেতে অনেক চালক আগের রাত থেকেই ফিলিং স্টেশনে মশারি টানিয়ে অবস্থান নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে উপজেলার গাবতলীতে অবস্থিত মেসার্স ইসলাম ফিলিং স্টেশন এলাকায় এমন নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা গেছে। জ্বালানি তেলের সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতিটি মোটরসাইকেলকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন সৃষ্টি হচ্ছে।

জানা যায়, এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে তেল বিক্রি শুরু হওয়ার কথা। তাই আগের দিন দুপুর থেকেই অনেক বাইকার পাম্প এলাকায় জড়ো হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে মশারি টানিয়ে পাম্পের আশেপাশে রাত যাপন করতে দেখা গেছে।

রাতে অবস্থান নেওয়া বাইকার সাজু বলেন, ‘সারা দিন লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাই না। তাই রাতেই এসে থাকছি, না হলে আবার যদি তেল না পাই!’ সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে এই ভোগান্তি আরও বাড়বে।