ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ ও সংস্কৃতির বিবর্তন: একটি পর্যালোচনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী উৎসব নববর্ষ সময়ের সাথে সাথে তার আদি রূপ হারিয়েছে। এক সময় যে উৎসবের মূল ভিত্তি ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ব্যবসায়িক হালখাতা, আজ তা অনেকটা করপোরেট জাঁকজমক ও ভিনদেশি সংস্কৃতির অনুকরণে পর্যবসিত হয়েছে। সংস্কৃতির এই রূপান্তর এদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, উৎসবের আনন্দ হওয়া উচিত সুস্থ ও মার্জিত। অন্য কোনো ধর্মের উপাসনা বা পৌরাণিক কাহিনীর সঙ্গে যুক্ত আচার-আচরণ পালন করা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সমর্থনযোগ্য নয়। তাই নিজস্ব লোকজ সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি ধর্মীয় বিশ্বাস ও শুদ্ধতা বজায় রাখা জরুরি। বিজাতীয় অনুকরণ বাদ দিয়ে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চাই হতে পারে আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রকৃত বাহন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাদেশ ও সংস্কার ইস্যুতে সরকারের ইউ-টার্ন

ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ ও সংস্কৃতির বিবর্তন: একটি পর্যালোচনা

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী উৎসব নববর্ষ সময়ের সাথে সাথে তার আদি রূপ হারিয়েছে। এক সময় যে উৎসবের মূল ভিত্তি ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ব্যবসায়িক হালখাতা, আজ তা অনেকটা করপোরেট জাঁকজমক ও ভিনদেশি সংস্কৃতির অনুকরণে পর্যবসিত হয়েছে। সংস্কৃতির এই রূপান্তর এদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, উৎসবের আনন্দ হওয়া উচিত সুস্থ ও মার্জিত। অন্য কোনো ধর্মের উপাসনা বা পৌরাণিক কাহিনীর সঙ্গে যুক্ত আচার-আচরণ পালন করা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সমর্থনযোগ্য নয়। তাই নিজস্ব লোকজ সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি ধর্মীয় বিশ্বাস ও শুদ্ধতা বজায় রাখা জরুরি। বিজাতীয় অনুকরণ বাদ দিয়ে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চাই হতে পারে আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রকৃত বাহন।