চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় মোগল স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে আজও সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক মালকা বানু মসজিদ। প্রায় ৩০০ বছর আগে ১৭৩০ সালে নির্মিত এই মসজিদটি ওই অঞ্চলের ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। জমিদার আমির মোহাম্মদ চৌধুরী তার একমাত্র কন্যা মালকা বানুর স্মৃতিকে অম্লান রাখতে এই নান্দনিক স্থাপনাটি নির্মাণ করেছিলেন।
মালকা বানু ও মনু মিয়ার অমর প্রেমকাহিনি নিয়ে রচিত হয়েছে অসংখ্য লোকগান, পালা ও পুঁথি, যা চট্টগ্রামের লোকসংস্কৃতিতে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ২০ ফুট বাই ৪০ ফুট আয়তনের এই মসজিদের নির্মাণশৈলীতে মোগল ঐতিহ্যের ছাপ স্পষ্ট। এর মাঝখানে একটি বিশাল গম্বুজ এবং দুই পাশে ছোট ছোট কয়েকটি গম্বুজ রয়েছে, যা এর স্থাপত্যশৈলীকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
দীর্ঘদিন সংস্কারবিহীন অবস্থায় থাকলেও ঐতিহ্যের সংরক্ষণ ও সৌন্দর্য বাড়াতে ২০১০ সালে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের উদ্যোগে মসজিদটিতে টালি সংযোজন ও সংস্কার কাজ করা হয়। মসজিদের পাশে থাকা বিশাল দিঘিটি ভরাট হয়ে গেলেও প্রাচীন এই স্থাপনাটি এখনো দর্শনার্থী ও গবেষকদের নজর কাড়ছে। বর্তমানে স্থানীয় বংশধররা এই ঐতিহাসিক মসজিদটির রক্ষণাবেক্ষণ করে যাচ্ছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























