ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বিচারক নিয়োগ ও মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল, সংসদে বিল উত্থাপন

দেশের বিচার ব্যবস্থা ও মানবাধিকার কমিশন সম্পর্কিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান জাতীয় সংসদে বিল তিনটি পেশ করেন। এই বিলগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা কিছু অধ্যাদেশকে রহিত করে বিদ্যমান আইন পুনঃপ্রবর্তন করা।

আইনমন্ত্রী কর্তৃক উত্থাপিত বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিল করে ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলনের বিল। এছাড়াও, সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা দুটি অধ্যাদেশও বাতিল করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিল তিনটি নিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গতকাল বিল উত্থাপনের সময় সংসদে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। কার্যসূচি অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট বিল উত্থাপনের পরিবর্তে আইনমন্ত্রী অন্য একটি বিল সংসদে পেশ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নজরে আসার পর আইনমন্ত্রী বিলটি পুনরায় উত্থাপন করেন। এর ফলে একটি বিল দুবার উত্থাপিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে, কার্যসূচিতে থাকা সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ রহিতকরণ বিল উত্থাপন করা হয়নি। এই ত্রুটি প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী একটি ভুল হয়েছে বলে সংসদে দুঃখ প্রকাশ করেন, যদিও কার্যসূচি পর্যালোচনায় দেখা যায় যে স্পিকার সঠিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের সময় বাঁচাতে প্রতিটি উপজেলায় হচ্ছে আধুনিক পরীক্ষা কেন্দ্র

বিচারক নিয়োগ ও মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল, সংসদে বিল উত্থাপন

আপডেট সময় : ১২:১০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

দেশের বিচার ব্যবস্থা ও মানবাধিকার কমিশন সম্পর্কিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান জাতীয় সংসদে বিল তিনটি পেশ করেন। এই বিলগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা কিছু অধ্যাদেশকে রহিত করে বিদ্যমান আইন পুনঃপ্রবর্তন করা।

আইনমন্ত্রী কর্তৃক উত্থাপিত বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিল করে ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলনের বিল। এছাড়াও, সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা দুটি অধ্যাদেশও বাতিল করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিল তিনটি নিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গতকাল বিল উত্থাপনের সময় সংসদে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। কার্যসূচি অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট বিল উত্থাপনের পরিবর্তে আইনমন্ত্রী অন্য একটি বিল সংসদে পেশ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নজরে আসার পর আইনমন্ত্রী বিলটি পুনরায় উত্থাপন করেন। এর ফলে একটি বিল দুবার উত্থাপিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে, কার্যসূচিতে থাকা সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ রহিতকরণ বিল উত্থাপন করা হয়নি। এই ত্রুটি প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী একটি ভুল হয়েছে বলে সংসদে দুঃখ প্রকাশ করেন, যদিও কার্যসূচি পর্যালোচনায় দেখা যায় যে স্পিকার সঠিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন।