ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

জামায়াতের নারী কর্মীর গ্রেপ্তার ও রাশেদ খানের প্রতিক্রিয়া: ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিতর্ক

ভোলায় জামায়াতে ইসলামীর এক নারী কর্মীকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। গত ৫ এপ্রিল গভীর রাতে ভোলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জমজম টাওয়ারের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় বিএনপির নেতা রাশেদ খান তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন, যা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দুটি পোস্টে রাশেদ খান জামায়াতের ওই নারী কর্মীর কিছু ফেসবুক পোস্টের ছবি যুক্ত করেন। তিনি লেখেন, “বাবার সাথে মেয়ে সিনেমা দেখতে গেছেন। কিন্তু উনিও একজন নারী হয়ে কত বড় নোংরামি প্রচার করেছেন, চিন্তা করেন। উনি কাকে মেয়ে-জামাই কল্পনা করেন? এই পোস্ট জাশি ও এনসিপি দেখেও না দেখার ভান করছে?” তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, “নারী হয়ে আরেকজন নারীকে কার সাথে তুলনা করেন! এগুলোর প্রতিকার কী? তিনি সমালোচনা করুন, কিন্তু নর্তকী বানিয়ে প্রচার করবেন? একজন নারীকে তো আরেকজন নারীর মর্যাদা দিতে হবে। এখানে বিএনপি ও জামায়াত উভয়ই গণঅভ্যুত্থানের শক্তি। সুতরাং শামা ওবায়দ আপাকে নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে তার সতর্কতা দরকার ছিল। নাকি এগুলো চলতেই থাকবে, সেটা চান?”

রাশেদ খান আরও অভিযোগ করেন, ওই নারী কর্মীর টাইমলাইনে ঘৃণা, মিথ্যাচার ও গুজবপূর্ণ অসংখ্য পোস্ট রয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মনে করেন, তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে না। কিন্তু বাবা-মেয়েকে জড়িয়ে তিনি যে নোংরামি করেছেন, এটার প্রতিকার কী? জামায়াতে ইসলামী কি এসবের সাংগঠনিক কোনো ব্যবস্থা নেয় বা নেবে? এর আগেও তো আমির হামজা এমপি তার সহকর্মী নারী এমপিদের নিয়ে যা-তা মন্তব্য করলেন, জামায়াত কোনো ব্যবস্থা নিয়েছে? সমালোচনা করেন, কিন্তু এগুলো কী সমালোচনা? অবশ্যই জামায়াতে ইসলামীর কর্মীকে মুক্তি দেওয়া হোক, কিন্তু এসব থেকে সুরাহার পথও বের করা সরকার বা বিরোধী দলের দায়িত্বও বটে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে কৃষিজমি ধ্বংস করে অপরিকল্পিত পাথর উত্তোলন, উদ্বেগ পরিবেশবাদীদের

জামায়াতের নারী কর্মীর গ্রেপ্তার ও রাশেদ খানের প্রতিক্রিয়া: ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিতর্ক

আপডেট সময় : ১২:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

ভোলায় জামায়াতে ইসলামীর এক নারী কর্মীকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। গত ৫ এপ্রিল গভীর রাতে ভোলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জমজম টাওয়ারের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় বিএনপির নেতা রাশেদ খান তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন, যা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দুটি পোস্টে রাশেদ খান জামায়াতের ওই নারী কর্মীর কিছু ফেসবুক পোস্টের ছবি যুক্ত করেন। তিনি লেখেন, “বাবার সাথে মেয়ে সিনেমা দেখতে গেছেন। কিন্তু উনিও একজন নারী হয়ে কত বড় নোংরামি প্রচার করেছেন, চিন্তা করেন। উনি কাকে মেয়ে-জামাই কল্পনা করেন? এই পোস্ট জাশি ও এনসিপি দেখেও না দেখার ভান করছে?” তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, “নারী হয়ে আরেকজন নারীকে কার সাথে তুলনা করেন! এগুলোর প্রতিকার কী? তিনি সমালোচনা করুন, কিন্তু নর্তকী বানিয়ে প্রচার করবেন? একজন নারীকে তো আরেকজন নারীর মর্যাদা দিতে হবে। এখানে বিএনপি ও জামায়াত উভয়ই গণঅভ্যুত্থানের শক্তি। সুতরাং শামা ওবায়দ আপাকে নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে তার সতর্কতা দরকার ছিল। নাকি এগুলো চলতেই থাকবে, সেটা চান?”

রাশেদ খান আরও অভিযোগ করেন, ওই নারী কর্মীর টাইমলাইনে ঘৃণা, মিথ্যাচার ও গুজবপূর্ণ অসংখ্য পোস্ট রয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মনে করেন, তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে না। কিন্তু বাবা-মেয়েকে জড়িয়ে তিনি যে নোংরামি করেছেন, এটার প্রতিকার কী? জামায়াতে ইসলামী কি এসবের সাংগঠনিক কোনো ব্যবস্থা নেয় বা নেবে? এর আগেও তো আমির হামজা এমপি তার সহকর্মী নারী এমপিদের নিয়ে যা-তা মন্তব্য করলেন, জামায়াত কোনো ব্যবস্থা নিয়েছে? সমালোচনা করেন, কিন্তু এগুলো কী সমালোচনা? অবশ্যই জামায়াতে ইসলামীর কর্মীকে মুক্তি দেওয়া হোক, কিন্তু এসব থেকে সুরাহার পথও বের করা সরকার বা বিরোধী দলের দায়িত্বও বটে।”