ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে?

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

আধুনিক প্রযুক্তির বিশ্বে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আলোচিত শব্দ হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এটি মূলত কম্পিউটারের এমন একটি উন্নত ব্যবস্থা যা মানুষের মতো চিন্তা করতে, তথ্য বিশ্লেষণ করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানী জন ম্যাককার্থি প্রথম এই ধারণাটি প্রবর্তন করেন। বর্তমানে এটি কেবল গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ নেই, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে।

এআই প্রযুক্তি মূলত বিপুল পরিমাণ তথ্য বা ডেটা বিশ্লেষণ করে কাজ করে। এটি অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শিখতে পারে এবং সময়ের সাথে সাথে নিজের কার্যক্ষমতা উন্নত করে। ১৯৫০ সালে অ্যালান টুরিংয়ের গবেষণাপত্র থেকে শুরু হওয়া এই প্রযুক্তির যাত্রা আজ চ্যাটজিপিটির মতো আধুনিক উদ্ভাবন পর্যন্ত পৌঁছেছে। মেশিন লার্নিং ও নিউরাল নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে এআই এখন মহাকাশ গবেষণা থেকে শুরু করে চিকিৎসা ও সাধারণ দাপ্তরিক কাজ পর্যন্ত নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করছে।

ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আরও বাড়বে বলে মনে করছেন প্রযুক্তিবিদরা। এটি একদিকে যেমন মানুষের কাজকে সহজ করছে, অন্যদিকে প্রযুক্তিনির্ভর নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে। তবে এর সঠিক ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই এখন বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান চ্যালেঞ্জ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে মা-মেয়ের গণধর্ষণ: উদ্বেগ প্রকাশ আসকের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে?

আপডেট সময় : ১০:৫৭:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

আধুনিক প্রযুক্তির বিশ্বে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আলোচিত শব্দ হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এটি মূলত কম্পিউটারের এমন একটি উন্নত ব্যবস্থা যা মানুষের মতো চিন্তা করতে, তথ্য বিশ্লেষণ করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানী জন ম্যাককার্থি প্রথম এই ধারণাটি প্রবর্তন করেন। বর্তমানে এটি কেবল গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ নেই, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে।

এআই প্রযুক্তি মূলত বিপুল পরিমাণ তথ্য বা ডেটা বিশ্লেষণ করে কাজ করে। এটি অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শিখতে পারে এবং সময়ের সাথে সাথে নিজের কার্যক্ষমতা উন্নত করে। ১৯৫০ সালে অ্যালান টুরিংয়ের গবেষণাপত্র থেকে শুরু হওয়া এই প্রযুক্তির যাত্রা আজ চ্যাটজিপিটির মতো আধুনিক উদ্ভাবন পর্যন্ত পৌঁছেছে। মেশিন লার্নিং ও নিউরাল নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে এআই এখন মহাকাশ গবেষণা থেকে শুরু করে চিকিৎসা ও সাধারণ দাপ্তরিক কাজ পর্যন্ত নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করছে।

ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আরও বাড়বে বলে মনে করছেন প্রযুক্তিবিদরা। এটি একদিকে যেমন মানুষের কাজকে সহজ করছে, অন্যদিকে প্রযুক্তিনির্ভর নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে। তবে এর সঠিক ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই এখন বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান চ্যালেঞ্জ।