ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

লিবিয়া উপকূলে ট্রলারডুবি: বাংলাদেশিসহ ৩২ জনকে উদ্ধার, নিখোঁজ ৭০

ইউরোপের উদ্দেশে যাওয়ার পথে লিবিয়া উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। তবে একটি বাণিজ্যিক জাহাজের তৎপরতায় বাংলাদেশিসহ ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের বর্তমানে ইতালির ল্যাম্পেদুসা দ্বীপে রাখা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও মিসরের নাগরিক রয়েছেন। নৌকাটিতে ১০০ জনের বেশি যাত্রী ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ৩ এপ্রিল রাতে লিবিয়ার তাজৌরা বন্দর থেকে যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণ পরই প্রতিকূল আবহাওয়ার কবলে পড়ে নৌকাটি উল্টে যায়।

জার্মান উদ্ধারকারী সংস্থা সি-ওয়াচ জানিয়েছে, তারা আকাশপথে তল্লাশি চালিয়ে ডুবে যাওয়া নৌকার কাছে কয়েকজনকে ভাসতে দেখেছে। ইতালীয় কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের এই বিপজ্জনক পথে প্রতি বছরই শত শত মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনালু: গ্রীষ্মের রুক্ষতায় এক পশলা সোনালি সৌন্দর্যের ছোঁয়া

লিবিয়া উপকূলে ট্রলারডুবি: বাংলাদেশিসহ ৩২ জনকে উদ্ধার, নিখোঁজ ৭০

আপডেট সময় : ০৫:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ইউরোপের উদ্দেশে যাওয়ার পথে লিবিয়া উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। তবে একটি বাণিজ্যিক জাহাজের তৎপরতায় বাংলাদেশিসহ ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের বর্তমানে ইতালির ল্যাম্পেদুসা দ্বীপে রাখা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও মিসরের নাগরিক রয়েছেন। নৌকাটিতে ১০০ জনের বেশি যাত্রী ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ৩ এপ্রিল রাতে লিবিয়ার তাজৌরা বন্দর থেকে যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণ পরই প্রতিকূল আবহাওয়ার কবলে পড়ে নৌকাটি উল্টে যায়।

জার্মান উদ্ধারকারী সংস্থা সি-ওয়াচ জানিয়েছে, তারা আকাশপথে তল্লাশি চালিয়ে ডুবে যাওয়া নৌকার কাছে কয়েকজনকে ভাসতে দেখেছে। ইতালীয় কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের এই বিপজ্জনক পথে প্রতি বছরই শত শত মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন।