একটি দেশের সামরিক সক্ষমতা কেবল পুরোনো বিমানবাহিনী বা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ওপর নির্ভর করে না—এমনটিই প্রমাণ করেছে ইরান। সাম্প্রতিক সময়ে তেহরানকে ঘিরে সামরিক ও রাজনৈতিক চাপ থাকা সত্ত্বেও দেশটির টিকে থাকার কৌশল বিশ্বজুড়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের অনেক পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করে ইরান দেখিয়েছে যে, কেবল উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্রশস্ত্রই যুদ্ধের ফলাফল নির্ধারণ করে না।
ইরানের সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বা শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর হামলার ঘটনা ঘটলেও দেশটি দ্রুত ভেঙে পড়েনি। বরং তারা আলোচনার টেবিলে নিজেদের অবস্থান সংহত রাখতে সক্ষম হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, জ্বালানি তেলের বাজারে প্রভাব বিস্তার এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে সমন্বয় করার মাধ্যমে তারা প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে হিসাব-নিকাশ করতে বাধ্য করেছে।
যুদ্ধের ময়দানে কেবল অস্ত্রের ঝনঝনানি নয়, বরং রাষ্ট্রের সহনশীলতা, ভৌগোলিক অবস্থান এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তিই বড় শক্তি হয়ে দাঁড়ায়। যারা মনে করেছিলেন ইরান খুব দ্রুত আত্মসমর্পণ করবে, তারা মূলত যুদ্ধের বহুমাত্রিক দিকগুলো বিবেচনায় নিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। ইরানের এই অবস্থান থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর জন্যও অনেক কিছু শেখার রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























