চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ব্যবসায় উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ৩১ কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ওয়াহিদুল ইসলাম নামের এই ব্যক্তি ৭৩ জন শেয়ারহোল্ডারের কাছ থেকে এসব টাকা সংগ্রহ করে এখন লাপাত্তা।
সোমবার বাঁশখালী থানায় ভুক্তভোগী আবু ছালেহ মুহাম্মদ ইশতিয়াক এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ওয়াহিদুল ইসলাম বাঁশখালীর কালীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম গুনাগারি এলাকার আজিজ আহমদের ছেলে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ওয়াহিদুল ইসলাম গত ১০ জুন সব টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই বিপুল পরিমাণ টাকা তিনি সহকর্মী, বন্ধুবানান্ধবসহ ৭৩ জন বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু প্রতিশ্রুত তারিখে তিনি কারও টাকাই পরিশোধ করেননি। এরপর গত ২৪ জুন টাকা দেওয়ার আশ্বাসে মালামালের গুদাম পরিদর্শনের কথা বলে সব পাওনাদারকে ঢাকায় নেন ওয়াহিদুল। তবে সে সময় তিনি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি।
এরপর তার মোবাইল ফোন থেকে এক বন্ধুর মোবাইল ফোনে রেললাইনে পড়ে আত্মহত্যা করার হুমকি দিয়ে একটি খুদেবার্তা পাঠানো হয়। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে এবং তিনি আত্মগোপন করেছেন।
ভুক্তভোগী গুনাগরীর শাফায়াত উল্লাহ, পুকুরিয়া চাঁনপুর এলাকার মোহাম্মদ এহসানুল হক ও চেচুরিয়া এলাকার আবু ছালেহ মুহাম্মদ ইশতিয়াক জানান, তারা বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে অধিক লাভের আশায় ব্যবসার কাজে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। সব লেনদেন ওয়াহিদুলের হাতে ছিল। প্রায় ১০ বছর সঠিকভাবে ব্যবসা করার পর সে এখন তাদের টাকা না দিয়ে আত্মগোপন করেছে। ভুক্তভোগীরা আশঙ্কা করছেন, ওয়াহিদুল ইসলাম বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। তাই তাকে খুঁজে বের করে পাওনা টাকা উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক বলেন, ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















