বিশ্বকাপের মঞ্চে এই প্রথমবার একে অপরের বিপক্ষে নকআউট পর্বে লড়তে নামছে ফুটবল পরাশক্তি ফ্রান্স ও সুইডেন। বাংলাদেশ সময় আজ রাত তিনটায় নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে বহুল প্রতীক্ষিত এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামবে ফ্রান্স।
গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ জিতে আসা ফ্রান্স এবারের বিশ্বকাপে তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। তারা সর্বোচ্চ ১০টি গোল করার পাশাপাশি মাত্র দুটি গোল হজম করেছে। সেরা আক্রমণভাগ, দুর্দান্ত মিডফিল্ড এবং সুশৃঙ্খল রক্ষণভাগ দলটিকে ফেভারিটের তকমা দিয়েছে। কোচ দিদিয়ের দেশমের তারকাখচিত ফরাসি দলটি সুইডেনের জন্য কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই বিশ্বকাপেও দুরন্ত গতিতে ছুটে চলেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, যিনি প্রথম তিন ম্যাচে চার গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে আছেন। তার পাশাপাশি উসমান দেম্বেলে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে ২৫ মিনিটের ব্যবধানে হ্যাটট্রিক করে নিজের জাত চিনিয়েছেন; তার নামের পাশেও এখন চার গোল। নকআউট ম্যাচে এই দুই তারকার পারফরম্যান্স সুইডেনের রক্ষণ দেয়াল ভেঙে চুরমার করে দিতে পারে।
অন্যদিকে, সুইডেন বাছাই পর্ব থেকেই সংগ্রাম করেছে এবং মূল পর্বেও তারা তেমন উজ্জ্বলতা দেখাতে পারেনি। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের মধ্যে একটি জয় ও একটি ড্র করে তারা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউট পর্বে উঠেছে। গতিময় ফুটবল এবং শৃঙ্খল রক্ষণ শক্তি তাদের মূল বৈশিষ্ট্য। ফ্রান্সের আক্রমণভাগ সামলানোই হবে সুইডেনের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। হয়তো সুইডেন কোচ গ্রাহাম পটার চিরাচরিত রক্ষণাত্মক কৌশল অবলম্বন করে ৪-৪-২ ফরমেশনে তার দলকে খেলাতে পারেন। সুইডেনকে ‘বড় ম্যাচের দল’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, যা ১৯৫৮ বিশ্বকাপের ফাইনালে পেলের জাদুকরী ফুটবলে ব্রাজিলের কাছে তাদের ৫-২ গোলে হারের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে।
রিপোর্টারের নাম 
























