ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ড: ম্যানুয়ালি চলছে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম

সিলেটের এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সার্ভার রুমে অগ্নিকাণ্ডের ফলে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে। সোমবার সকাল থেকে বিমানবন্দরে আগত আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীদের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম হাতে-কলমে বা ম্যানুয়ালি সম্পন্ন করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটকে আগুনের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও সিভিল অ্যাভিয়েশন ও ইমিগ্রেশন পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার সকালে লন্ডন থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটের ২২২ জন যাত্রীর ইমিগ্রেশন ম্যানুয়ালি সম্পন্ন করতে হয়েছে। সার্ভার সচল হওয়ার পর এই তথ্যগুলো পুনরায় ডিজিটাল সিস্টেমে ইনপুট দেওয়া হবে। ঘটনার পর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এবং ইমিগ্রেশন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত সার্ভার রুম পরিদর্শন করেছেন।

রবিবার রাতে ইমিগ্রেশন ডেস্কে আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের প্রচেষ্টায় তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কোনো ফ্লাইটের শিডিউল না থাকায় বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় ঘটেনি। বর্তমানে সার্ভারটি দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরোধী সংসদীয় এলাকায় নারী এমপিদের উন্নয়ন তদারকি: প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যা

সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ড: ম্যানুয়ালি চলছে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম

আপডেট সময় : ০৫:৫১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

সিলেটের এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সার্ভার রুমে অগ্নিকাণ্ডের ফলে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে। সোমবার সকাল থেকে বিমানবন্দরে আগত আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীদের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম হাতে-কলমে বা ম্যানুয়ালি সম্পন্ন করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটকে আগুনের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও সিভিল অ্যাভিয়েশন ও ইমিগ্রেশন পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার সকালে লন্ডন থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটের ২২২ জন যাত্রীর ইমিগ্রেশন ম্যানুয়ালি সম্পন্ন করতে হয়েছে। সার্ভার সচল হওয়ার পর এই তথ্যগুলো পুনরায় ডিজিটাল সিস্টেমে ইনপুট দেওয়া হবে। ঘটনার পর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এবং ইমিগ্রেশন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত সার্ভার রুম পরিদর্শন করেছেন।

রবিবার রাতে ইমিগ্রেশন ডেস্কে আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের প্রচেষ্টায় তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কোনো ফ্লাইটের শিডিউল না থাকায় বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় ঘটেনি। বর্তমানে সার্ভারটি দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র।