চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় বিধ্বস্ত হয়েছে হাজার হাজার মানুষের স্বপ্ন। বন্যায় ঘরবাড়ি হারিয়ে বর্তমানে বিপুলসংখ্যক মানুষ খোলা আকাশের নিচে অত্যন্ত অমানবিক ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বন্যায় উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামো, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি এবং মাছের ঘেরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। বন্যার পানি নেমে গেলেও গৃহহারা পরিবারগুলোর ঘরে ফেরার পথ এখনো অনিশ্চিত হয়ে আছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাঁশখালীর ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিস্তীর্ণ এলাকায় অন্তত ১২ হাজার মাটির ঘর সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। এই বিশাল সংখ্যক ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্থায়ী পুনর্বাসনে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগ দৃশ্যমান না হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি ত্রাণ সহায়তা ও ভবিষ্যতে টেকসই আবাসন নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, তবে বাস্তুচ্যুত মানুষের বর্তমান কষ্ট লাঘবে দ্রুত কার্যকর পুনর্বাসন প্রকল্প গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















